🕓 সংবাদ শিরোনাম

কুরবানীর মাংস রান্না করার সময় ভেসে উঠলো আল্লাহর নাম!ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ, হাঁকডাকে সরগরম মৎস্যঘাটকেউ খোঁজ রাখেনি, পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত পাপেলের ভরসা এখন হুইল চেয়ারবগুড়ার শেরপুরে সাংবাদিকের বাড়ি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগজরুরি অবস্থা জারি করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আইনজীবীর আবেদননোয়াখালথতে ঘরে আগুন দিয়ে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে কিশোর গ্যাংওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন কাদের মির্জাবগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাকক্সবাজারে ফের পাহাড় ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যুশিশু শিক্ষার্থীরা যখন ক্রেতা-বিক্রেতা!

  • আজ বুধবার, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জুলাই, ২০২১ ৷

কুড়িগ্রামে দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস- বিপর্যস্থ জনজীবন


❏ রবিবার, জানুয়ারী ৩১, ২০২১ রংপুর

ফয়সাল শামীম, স্টাফ রিপোর্টার:- কুড়িগ্রামে দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কৃষি আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সুবল চন্দ্র সরকার জানান, কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ায় রোববার জেলার সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা। এ পরিস্থিতি আগামী ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলতে পারে বলে জানান তিনি।

এ অবস্থায় শীত ও কনকনে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষ। সুর্যের দেখা না মেলায় উত্তরীয় হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা। এতে করে ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা।

দেশের উত্তরের জনপদ সীমান্ত ঘেষা জেলা কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত প্রবাহ। এতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় জবুথুবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নদ-নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষসহ হত-দরিদ্র, ছিন্নমুল মানুষেরা। কাজে যেতে না পেরে বিপাকে শ্রমজীবিরা।

গত দুই সপ্তাহ ধরে শীতের প্রকোপ থাকলেও শনিবার সন্ধা থেকেই এ জেলার তাপমাত্রা একেবারেই নিন্মগামী হয়ে পড়ে। এতে গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধসহ নিন্ম আয়ের মানুষেরা।

কুড়িগ্রাম সদরের দাসেরহাট এলাকার আমজাদ হোসেন জানান, শনিবার রাত থেকে যে কনকনে ঠান্ডা শুরু হয়েছে এরচেয়ে বেশি ঠান্ডা এর আগে কখনও পড়ে নাই। একেবারের হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। কাজ তো দুরের কথা হাত-পা পর্যন্ত বাইরে রাখা মুশকিল হয়ে পড়েছে।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মালেক জানান, বোরো চাষের জন্য জমি তৈরি করেছি। কিন্তু এই ঠান্ডায় কৃষি শ্রমিকরা পানিতে নেমে কাজ করতে পারছেন না।

জেলা শহরের রিকসা চালক ছালাম জানান, সন্ধ্যা থেকে খুবই কনকনে ঠান্ডা ছিল। দুপুরের দিকে ঠান্ডা একটু কমে যাওয়ার পর গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছি।

দেশের সবচেয়ে দারিদ্রতম এ জেলার অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের শীত নিবারনে সরকারী ও বেসরকারীভাবে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা অপ্রতুল। এসব মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানরা এগিয়ে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

কুড়িগ্রামের শীতার্থ অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে চাইলে আমাদের স্টাফ রিপোর্টার প্রভাষক ফয়সাল শামীম-০১৭১৩২০০০৯১।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন