• আজ মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৭ জুলাই, ২০২১ ৷

মিয়ানমারে সেনা টহল জোরদার, মোবাইল-ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

sena
❏ সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১, ২০২১ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি এবং দেশটির রাষ্ট্রপতি উইন মিন্টসহ প্রবীণ রাজনীতিবিদদের গ্রেফতারের পর দেশটিতে সেনা টহল জোরদার করা হয়েছে।

সু চি ও প্রবীণ নেতাদের গ্রেফতারের পর সেনাবাহিনী এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করেছে। সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ক্ষমতা কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং লাইংয়ের কাছে হস্তান্তর করছে।

রাজধানী নেপিডোতে এবং প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় সেনাবাহিনীর টহল দেখা গেছে। প্রধান প্রধান শহরগুলোতে টেলিফোন ও ইন্টারনেট লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সেখানে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। রাজধানী নেপিডোর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু জানা যাচ্ছে না।

প্রধান প্রধান শহরগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট এবং কিছে টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম এমআরটিভি জানিয়েছে যে তারা কিছু কারিগরি সমস্যার মুখে পড়েছে এবং তাদের সম্প্রচার বন্ধ রয়েছে।

সোমবার সকালে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) শীর্ষ নেতাদের আটক করা হয়। সোমবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

২০২০ সালের নভেম্বর মাসের নির্বাচনে এনএলডি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। সেনাবাহিনী সমর্থিত প্রভাবশালী বিরোধীদল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ভোটে প্রতারণার অভিযোগ তুলে ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তাদের সমর্থকরা বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করতে থাকে।

কয়েকদিন আগে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিং অং হ্লাং বলেন, ‘প্রয়োজন হলে সংবিধান বাতিল করা হতে পারে।’ তারপর থেকেই অভ্যুত্থানের গুঞ্জন শুরু হয়। এরপর অভ্যুত্থানের আশঙ্কা প্রকাশ করে এর নিন্দা জানায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। তবে এ আশঙ্কাকে ভুল বলে বিবৃতি দেয় সেনাবাহিনী।

এর মাঝেই আটক হলেন সু চিসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন