• আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সু চিসহ অন্যান্য নেতাদের তাৎক্ষণিক মুক্তি দিতে হবে: অস্ট্রেলিয়া

১:৩৭ অপরাহ্ন | সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১, ২০২১ আন্তর্জাতিক
suchi

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সু চিসহ আটক হওয়া সব নেতাকে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের ক্ষমতা দখলের বিষয়েও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনী। কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের কাছে দেশের হস্তান্তর করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দেশটির বেসামরিক সরকারের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই এমন পদক্ষেপ নেয় সেনাবাহিনী।

দেশটির ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে সেনাবাহিনী। সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে এসব নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনএলডির মুখপাত্র মিও নিয়ুন্ট।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পাইন এক বিবৃতিতে বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমরা মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে আহ্বান জানাচ্ছি। আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমেই বিরোধ নিরসন এবং যেসব বেসামরিক নেতাকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে তাদের তাৎক্ষণিক মুক্তি দিতে হবে।

এদিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে জরুরি অবস্থা জারির নিন্দা জানিয়েছে আমেরিকা।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, দেশটির সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের চেষ্টা বা গণতান্ত্রিক উত্তরণে প্রতিবন্ধকতা তৈরির যে কোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র। এসব পদক্ষেপ বাতিল করা না হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তনি ব্লিংকেন বলেন, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, শান্তি এবং উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষায় রয়েছে বার্মার জনগণ। সামরিক বাহিনীকে অবশ্যই এই পদক্ষেপ বাতিল করতে হবে।

এদিকে, এইচআরডাব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস অং সান সু চি এবং দেশটিতে গ্রেফতার হওয়া বেসামরিক নেতাদের অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের সরকার নির্বাচন করার অধিকারকে অসম্মান করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া বেসামরিক নেতাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বেশ উদ্বিগ্ন।’ সামরিক বাহিনীর নিশ্চিত করা দরকার যে তাদের কাছে থাকার সময়ে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কোনো নির্যাতন করা হবে না।