একাধিকবার ‘ধর্ষণের’ পর ১৩ বছরের শিশুকে ফেলে গেল রাস্তায়

১:০৬ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২, ২০২১ সিলেট
sunamganj

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি- সুনামগঞ্জে চা দোকানির ১৩ বছরের এক শিশু কন্যা সন্তানকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় এক সিএনজি চালক ওই শিশুটিকে আদালত প্রাঙ্গণের রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন।

অভিযুক্তের নাম মোঃ আজাদ মিয়া (৩০)। সে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর রহিমের ছেলে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় একমাস পূর্বে অভাব অনটনের সংসারে জীবন জীবিকার প্রয়োজনে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা থেকে ধর্ষণের শিকার শিশুর পিতা স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বেতগঞ্জ বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে সামনে চায়ের দোকান খুলেন। এবং দোকানের পেছনে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে থাকার ব্যবস্থা করে কোন রকম সংসার পরিচালনা করে আসছিলেন।

পাশর্বর্তী রহমতপুর গ্রামের বিবাহিত মোঃ আজাদ মিয়া গত ৩১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় বেতগঞ্জ বাজারে ঐ দোকানের পেছনের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ঐ কন্যা শিশুটিকে তুলে নিজ বাড়িতে এনে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে আদালত প্রাঙ্গণে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়।

শিশুটির অনেক রক্তক্ষরণের ফলে সে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে থাকে। হঠাৎ এক সিএনজি চালক এগিয়ে এসে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করান। সে এখন হাসপাতালের ৭ তলার গাইনি বিভাগের ১৮ নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈকত দাস জানান, রাতে শিশুটিকে হাসপাতালে আসার পর তাদের বক্তব্য শুনে হাসপাতালে ভর্তি করে পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো হয় এবং পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুর রহমান জানান, রাতেই পুলিশ শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালে যান। অভিযোগ পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।