🕓 সংবাদ শিরোনাম

ময়মনসিংহ মেডিকেলে একদিনে মৃত্যু ১২, জেলায় নতুন আক্রান্ত ৪৪০ জনকুরবানীর মাংস রান্না করার সময় ভেসে উঠলো আল্লাহর নাম!ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ, হাঁকডাকে সরগরম মৎস্যঘাটকেউ খোঁজ রাখেনি, পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত পাপেলের ভরসা এখন হুইল চেয়ারবগুড়ার শেরপুরে সাংবাদিকের বাড়ি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগজরুরি অবস্থা জারি করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আইনজীবীর আবেদননোয়াখালথতে ঘরে আগুন দিয়ে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে কিশোর গ্যাংওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন কাদের মির্জাবগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাকক্সবাজারে ফের পাহাড় ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু

  • আজ বুধবার, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জুলাই, ২০২১ ৷

ঘাটাইলে জমি বিক্রির নামে প্রতারণা!


❏ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২১ ঢাকা

খাদেমুল ইসলাম মামুন, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি বিক্রয় করার বাহানায় টাকা হাতিয়ে নিয়ে জমি দলিল করে দিতে মালিক প নানা টালবহানা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি স্থানীয় ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপিনপুর ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী আরবী প্রভাষক আব্দুর রহিম, বুলবুল সিকদার ও বাদল সিকদারের কাছ থেকে শহর গোপিনপুর মৌজার সাবেক ২১৮৭ নং দাগের আট শতাংশ জমি ক্রয় করেন।

কিন্তু জমি রেজিষ্ট্রি করার সময় জমি দাতা প্রতারনা পূর্বক বিক্রিত জমির দাগ নং ২১৮৭এর স্থলে ২১৮৯ দাগের অপোকৃত কম মূল্যের জমি বিগত ০২-০৫-১৯৯৫খ্রি. রেজিষ্ট্রি করে দেয় যার দলিল নং ৩৫৭৭। রেজিষ্ট্রি মোতাবেক জমি দখল সত্ব বুঝে নিয়ে আব্দুর রহিম স-পরিবারে বসবাস শুর“ করেন। পরে পাঁকা ঘরের কাজ শুর করেন।

পরবর্তীতে দাতা ঘরের কাজ বন্ধ করে দিয়ে দলিল দেখতে চায় এবং তখনই প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে এবং জানাজানি হয়। পরে আব্দুর রহিম মাওলানা ০৪-৬-২০১৫খ্রি তারিখ গ্রাম্য সালিশী বৈঠকের মাধ্যমে দলিল সংশোধনের দাবি জানালে জমি দাতা বুলবুল সিকদার পুনরায় তিন ল টাকা দাবি করে। তৎকালীন ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ববিন হায়দার সাদী চৌধুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫দিনের মধ্যে সংশোধনী দলিল করে দেয়ার শর্তে বুলবুল সিকদারকে দুইল বিশহাজার টাকা শহরগোপিনপুর বাজারের বিশিষ্ঠ ব্যাবসায়ী মোশারফ হোসেনের মাধ্যমে তুলে দেন আব্দুর রহিম।

কিন্তু টাকা হাতে পেয়েও জমি রেজিষ্ট্রি করে দিতে টালবাহানা শুরু করে বুলবুল সিকদার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুলবুল সিকদার বলেন, রহিম মাওলানার দলিলে যে দাগ আছে সে দাগের জমিই তাকে নিতে হবে। সংশোধনী দলিল এবং পরবর্তীতে টাকা নেয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, আমার জমিতে এখন আমি ঘর তুলবো ওকে কোন জমি দেওয়া হবে না।

ভুক্তভোগী শিক আব্দুর রহিম জানান, আমার সারা জীবনের রোজগার দিয়ে এই জমি কিনেছি। আমি সরল বিশ্বাসে ওদের টাকা দিয়েছি,ওরা আমার সাথে এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারিনি। ওদের সাথে আলোচনা করেই আমি বিল্ডিংএর কাজ শুর“ করি। টাকা নেয়ার পর প্রান নাশের হুমকি দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম জানান, রহিম হুজুরের সাথে ওরা প্রতারণা করেছে বুলবুল সিকদার গং অত্যন্ত প্রভাশালী ,কারো কথা শোনেনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজহারল ইসলাম মিঠু ভূইয়া বলেন, আমরা একাধিকবার এই জমির শালিশ করেছি কিন্তু বুলবুল সিকদার গং সালিশে উপস্থিত হয়নি। আমাদের কারো কথা তারা শোনে না। বিষয়টি সম্পূর্ণ সত্য এবং দু:খজনক।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন