• আজ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে শীতের সবজির বিপুল সমারোহ, দামও কম

১১:৪১ পূর্বাহ্ন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ চট্টগ্রাম
Vegetables

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার সংবাদদাতা: কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া ও পেকুয়া। এই চার উপজেলায় খন সবজির ভরা মৌসুম। বাজারে শীতের সবজির বিপুল সমারোহ। হরেক রকম সবজির বৈচিত্র্যময় পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। সরবরাহ বাড়ছে প্রতিদিন। ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে সবজির দাম। এখন সব ধরনের সবজির দামই ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে এসেছে।

বর্তমানে একটি ফুলকপির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা। শিম ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি। করলার কেজি ৩৫-৪০ টাকা। এক কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়। একটি লাউয়ের দাম ২৫-৩০ টাকা। এক মাস আগে এগুলোর দাম ছিল দ্বিগুণেরও বেশি। এর কারণ ছিল সরবরাহ সংকট।

শীতের শুরুর দিকে বাজারে শাক-সবজির দাম চড়া থাকলেও এখন এসব শাক-সবজির দাম হাতের নাগালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। বাজারে সবজির সরবরাহও প্রচুর। শীতের এই পুরো সময়ে তরিতরকারির সরবরাহ ঠিক থাকলে বাকি সময়টাও দাম সাধ্যের মধ্যে থাকবে বলে জানান তাঁরা।

শহরের বড় বাজার, বাহারছড়া বাজার ও কালুর দোকান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা, টমেটো ২০-২৫ টাকা, চিচিঙ্গা ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৩০-৩৫ টাকা, বেগুন ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পালং শাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা, লাল শাক পাঁচ টাকা, লাউ শাক ১০ টাকা, কচু শাক ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বড় বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দু শুক্কুর বলেন, সবজির দাম বেশি বাড়ে নি, এখনও কম আছে। দেখেন না, সকল সবজিই সস্তা। টেকপাড়ার বাসিন্দা সরকারি চাকুরে ছৈয়দনুর কিনছিলেন সবজি। তিনি বলেন, শীতের শুরুর দিকে যেমন সব সবজির দামই অনেক বেশি ছিল, এখন তা নেই। হাতের নাগালেই আছে। তিনি এই সময় প্রতি বেলার খাবারের তালিকায় সবজি রাখেন বলে জানান।

বাজার থেকে লাউ কিনছিলেন পেশকার পাড়ার বাসিন্দা শহিদ রহমান। পেশায় ব্যবসায়ী এই ব্যক্তি জানালেন, কিছুদিন আগেও এই লাউ তিনি প্রতিটি কিনেছেন ৪০-৪৫ টাকায়। এখন দুটি কিনলেন ৬০ টাকায়। তিনি বলেন, সব সবজির দামই ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। বেশির ভাগ সবজির দাম কমলেও কিছু সবজির দাম এখনো বেশি। গতকাল সন্ধ্যায় দেখা গেল, করলা বেচাকেনা নিয়ে উপজেলা গেইট বাজারের এক সবজি বিক্রেতার সঙ্গে তর্ক লেগেছে কক্সবাজার পলিটেকনিকের চাকুরে জাকারিয়া।

তিনি বলেন, এই করলা চাইছে ৫০ টাকা কেজি। এটা তো আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। অন্যদিকে বিক্রেতার দাবি তাঁর করলা বাজারের সেরা বলে দামও বেশি। বাজারে আলুর সরবরাহ বেড়েছে। এ মাসের শুরুর দিকে আলু প্রতিকেজি ছিল ৩০-৩৫ টাকায়। বিভিন্ন বাজারে আলু ১৬-২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা গেইট বাজারে এক পাল্লা (পাঁচ কেজি) দেশি আলু বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। তবে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, আলুর দাম আরও কমে যেতে পারে।