সংবাদ শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুকরোনার এক বছর: মৃত্যু ৮৪৬২, শনাক্ত সাড়ে ৫ লাখটাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপনমোবাইল ইন্টারনেট গতিতে উগান্ডারও পেছনে বাংলাদেশমশাল মিছিল থেকে গ্রেফতার ৬ ছাত্রনেতার জামিন

  • আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল দিয়ে পাসপোর্টধারীদের যাতায়াত দিন দিন বাড়ছে

৫:৪১ অপরাহ্ন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ফিচার
Benapole Photo

মহসিন মিলন, বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ভারতে যাতায়াতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে । বর্তমানে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে নতুন মেডিকেল ভিসা ও পুরনো বিজনেস ভিসায় বাংলাদেশিরা ভারত যাতায়াত করা শুরু করেছেন। ভারতীয় যাত্রীরাও ইমপ্লয়মেন্ট ও বিজনেস ভিসায় প্রতিদিন আসছেন বাংলাদেশে। ফলে, করোনার প্রভাবে বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত ধীরে ধীরে বাড়ছে।

তবে, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলেও শুরু হয়নি টুরিস্ট ভিসায় যাতায়াত। বর্তমানে মেডিকেল ভিসায় যাত্রীর সংখ্যা ৯০ শতাংশ। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ভারত সরকার গত ১৩ মার্চ বাংলাদেশিদের ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পরবর্তীতে একই নিষেধাজ্ঞায় বন্ধ হয়েছিল ভারতীয়দের বাংলাদেশে আসা। এতে বিশেষ করে চিকিৎসা আর বাণিজ্যিক ভিসায় যাতায়াতকারীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন।

ভারতগামী বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী মোঃ ফিরোজ বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ায় চিকিৎসা ও ব্যবসার কাজে ভারতে যাচ্ছি। তবে, মেডিকেল ভিসার মেয়াদ ৩ মাস থেকে ৬ মাসের জন্য দিলেও এ ভিসায় মাত্র একবার ভ্রমণের সুযোগ আছে। এতে, প্রয়োজন মিটবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন রোগীরা।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার উৎপলা বিশ্বাস জানান, ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে দুই দেশের যাত্রীদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ সার্টিফিকেট প্রয়োজন হচ্ছে। এই সার্টিফিকেট নিতে প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, ‘আপাতত মেডিকেল, স্টুডেন্ট আর বিজনেস ভিসায় বাংলাদেশিরা ভারতে যেতে পারছেন। ভারতীয়রা আসছেন ইমপ্লয়মেন্ট ও ব্যবসায়ি ভিসায়। এছাড়া কূটনৈতিক ভিসায়ও যেতে পারবেন যাত্রীরা। মেডিকেল ভিসায় যারা যাচ্ছেন তাদের নতুন ভিসা নিতে হচ্ছে। বিজনেস ও স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে পুরনো ভিসা কার্যকর হচ্ছে। তবে, সবার ক্ষেত্রে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক।’

জানা যায়, প্রতিবছর এপথে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৩০ লাখ দেশি-বিদেশি যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর বাবদ সরকারের রাজস্ব আসে কমপক্ষে ১০০ কোটির কাছাকাছি। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মেডিকেল ভিসায় ভারতে গেছেন ৭০২ জন বাংলাদেশি আর ভারত থেকে এসেছেন ১২১ জন।১১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গেছে প্রায় সাড়ে সতের হাজার পাসপোর্ট যাত্রী ।ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে প্রায় ১২ হাজার পাসপোর্ট যাত্রী ।এই এক মাসে ভ্রমনকর বাবদ সরকারের রাজস্ব এসেছে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা।