কাদের মির্জা বিএনপি-জামাতের পেইড এজেন্ট: দাবি তিন আ.লীগ নেতার

৪:৫০ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২১ চট্টগ্রাম
alig

আবদুল্যাহ রিয়েল, ফেনী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে বিএনপি-জামায়াতের পেইড এজেন্ট, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, মাদকাসক্ত, দুশ্চরিত্র ও উন্মাদ-বেসামাল বলে দাবি করেছেন ফেনীর তিন জনপ্রতিনিধি।

মঙ্গলবার দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে কাদের মির্জার মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আব্দুল কাদের মির্জা তারেক জিয়ার সাথে আঁতাত করে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে, জাতীয় ও স্থানীয় নেতাদের নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারেক রহমান কাদের মীর্জাকে আশ্বাস দিয়েছেন আগামী সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী করা হবে। সেই আশ্বাসের কারণেই সে বিএনপি-জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, টেন্ডারবাজ, সিএনজির টোল আদায়কারী, বাস ট্রাক থেকে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের হোতা কাদের মির্জা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইমেজ ক্ষুন্ন করার জন্য আবোল তাবোল বক্তব্য শুরু করলে বিষয়টি আমাদের অনুভূতিতে আঘাত আসার কারণে আমরা তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছি। কাদের মির্জার সন্ত্রাসের শিকার হয়ে অসংখ্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ জীবন দিতে হয়েছে এবং ছাড়তে হয়েছে ঘরবাড়ি। কুখ্যাত সন্ত্রাসী নিজেকে বিখ্যাত বানানোর জন্য চট্টগ্রাম মেয়র পদে শপথ নিতে যাওয়ার পথে দাগনভূঞায়ায় ভোর বেলায় নিজের গাড়িতে হামলার যে গল্প তৈরী করেছেন। তার কোন প্রমাণ দিতে পারবেনা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের সভাপতি ও দাগনভুঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, ফেনী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী।

এসময় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, আমরা কাদের মির্জাকে জানিয়ে দিতে চাই আপনি সহজ পথে ফিরে আসুন। মিথ্যাচার থেকে সরে এসে সুস্থ্ ও সুন্দর রাজনীতিতে ফিরে আসুন।

তারা আরও বলেন, ‘নোয়াখালীর প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাস ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবী জানাচ্ছি এ তথাকথিত ভন্ড, মতলববাজ, চাঁদাবাজের কোন আদেশ, কোন নির্দেশনা না শুনে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে তাকে দ্রুদ গ্রেফতার করে পাবনা মানসিক হাসপাতালে অথবা যেকোন উন্নতমানের মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে প্রেরণ করা হোক।’