সংবাদ শিরোনাম

দেশে আবারও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু ১৩ফের করোনার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনাবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে: : নরেন্দ্র মোদিসীমানা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাধা হওয়া উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রীগাজীপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটককালকিনিতে পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা আপত্তিকর অবস্থায়  আটকজিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আপত্তিকর: রিজভীনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বরযাত্রীবাহী বাস ধানক্ষেতে, আহত ১৫রংপুরে ধর্ষণ মামলায় এএসআইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটসিরাজগঞ্জে পুত্রবধু ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেফতার

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বসন্তের স্নিগ্ধ বাতাসে সৌরভ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল

৫:৫২ অপরাহ্ন | সোমবার, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২১ ঢাকা
Mango buds

খাদেমুল ইসলাম মামুন, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: বসন্ত মানেই কোকিলের সুমধুর ডাক, গাছে গাছে রঙিন ফুল আর সুরেলা বাতাস। নানা ফুলের সাথে মিষ্টি সৌরভ ছড়াচ্ছে আমের মুকুলও। আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে এখনই মৌ মৌ করতে শুরু করেছে চারিদিক। আমের মুকুলের সুমিষ্ট সুবাসে ভারি হয়ে উঠছে বসন্তের প্রতিক্ষণ ।

বসন্তের ফাগুন আর আমের মুকুল যেন একই সুতোয় গাঁথা। বছরের নির্দিষ্ট এই সময়জুড়ে তাই চাষি তো বটেই, কমবেশি সব শ্রেণির মানুষেরও দৃষ্টি থাকে সবুজ পাতায় ঢাকা আমগাছের শাখা-প্রশাখায়।

বছরজুড়ে চাষিদের নিয়মিত পরিচর্যার কারণে এখন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সব বাগানেই প্রতিবছরই আমের আশানুরূপ ফলন বাড়ছে। এছাড়া এবার ফেব্রুয়ারির শুরুতেই আগাম মুকুল এসেছে ঘাটাইলের অনেক আম বাগানে। স্বর্ণালি মুকুলে ছেয়ে গেছে ঘাটাইলের প্রতিটি আম বাগান। মুকুলের আধিপত্যে থাকা বাগানগুলো দেখে তাই আমচাষিদের মনে আশার প্রদীপ জ্বলে উঠেছে। প্রতিদিনই চলছে পরিচর্যা। আমগাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে উঁচু করে দেওয়া হচ্ছে সেচ।

বনফুল থেকে মৌমাছির দল গুনগুন করে ভিড়তে শুরু করেছে আম্রমুকুলে। মুকুলের সেই সুমিষ্ট সুবাস আন্দোলিত হয়ে উঠছে চাষির মনও।

এদিকে, আমের মুকুলে চাষিরা খুশি হলেও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা বলছেন, পুরোপুরিভাবে শীত বিদায়ের আগেই আমের মুকুল আসা ভালো নয়। হঠাৎ ঘন কুয়াশা পড়লেই আগে আসা মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা ফলনেও প্রভাব ফেলবে।

যদিও প্রাকৃতিক নিয়মে ফাল্গুন মাসে ঘন কুয়াশার আশঙ্কা খুবই কম। এরপরও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতি বিরূপ আচরণ করলে আমের মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

মাঝে মধ্যে ঘনকুয়াশা পড়লেও মুকুলের ক্ষতি হবে। পাউডারি মিলডিউ রোগে আক্রান্ত হয়ে এসব মুকুলের অধিকাংশই ঝরে যাবে। ফলে আক্রান্ত বাগান মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই শেষ পর্যন্ত না দেখে বলা খুবই কঠিন যে, কী হবে।