• আজ শুক্রবার। গ্রীষ্মকাল, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ৪:৪৮মিঃ

ওবায়দুল কাদেরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: কাদের মির্জা

⏱ | শনিবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ 📁 স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশ অমান্য করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকা সমাবেশে নিজ ভাবী ওবায়দুল কাদেরের সহধর্মিনী ইসরাতুন্নেসা কাদেরের উপর চটেছেন দেবর আব্দুর কাদের মির্জা।

দলের হাইকমান্ড থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মির্জার অতিকথন বন্ধ হয়নি। চলমান রয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাদের সমালোচনা। বাদ যাচ্ছে না তার নিজ ভাই, ভাবী, ভাতিজা, ভাগিনা কেউই। কট্টর সমালোচনা করে চলেছেন সকলের। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ৩টায় বসুরহাট পৌরহলে কাদের মির্জা এ সমালোচনা করেন।

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জা তার বড়ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী এড. ইসরাতুন্নেসা কাদেরের বিষয়ে বলেন, ‘মন্ত্রীকে (ওবায়দুল কাদের) হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমার ভাবীর কারণে আমার বড় ভাই স্ট্রোক-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন।

কাদের মির্জা বলেন, ‘ওই মহিলা আমার ভাইকে হুমকি দিয়ে বলেছিল- “মির্জার কতা যদি তুই হুনছ, তাইলে তোরে আঁই ছাইদি ছলি যামু, হারা বাংলাদেশে তোর ভাবমূর্তি নষ্ট অইবো” (নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষা)।” যার অর্থ হলো, ইসরাতুন্নেসা কাদের নাকি ওবায়দুল কাদেরকে বলেছেন, তিনি যদি স্ত্রীর কথা না শুনে তার ভাই কাদের মির্জার কথা শোনেন তাহলে ইসরাতুন্নেসা কাদের ওবায়দুল কাদেরকে ছেড়ে চলে যাবেন। এতে সারা দেশে ওবায়দুল কাদের ভাবমুর্তি নষ্ট হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাবী আমাকে বলেছিলেন, কোম্পানীগঞ্জে বাদল্যা (মিজানুর রহমান বাদল) ও কবিরহাটে রায়হানকে বিগত উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যানের মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমি দিইনি।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বাদলকে মনোনয়ন না দিয়ে শাহাব উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার কারণে আমাকে জঘন্যভাবে গালাগালি করেছিল ওই মহিলা (ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী)। আমি কি মাদক সম্রাট-ভূমিদস্যু বাদল্যাকে সমর্থন দিতে পারি?’

এদিকে, কাদের মির্জার অভিযোগ সম্পর্কে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সহধর্মিণী এড.ইসরাতুন্নেসা কাদেরের বক্তব্য নিতে তার মোবাইল নাম্বারে বারবার চেষ্টা করেও তাকে না পেয়ে দলীয় একটি মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি এসব বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।