• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় গাঁজা বাগান সন্দেহে অভিযান: স্যাম্পল ল্যাবে

৮:১০ অপরাহ্ন | রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ঢাকা
Asolia news

তুহিন আহামেদ, আশুলিয়া প্রতিনিধি : আশুলিয়ায় একটি বাড়ির বাউন্ডারির ভিতর বিপুল পরিমাণ গাঁজা গাছ চাষ করা হচ্ছে এমন সন্দেহে সেখানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। পরে উদ্ধারকৃত গাছগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্যাম্পল ল্যাবে পাঠানো হয়েছে ।

রোববার সকালে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক ঢাকার সিআইডি ল্যাবে ওই গাছের স্যাম্পলগুলো পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন । এরআগে শনিবার সন্ধ্যার দিকে আশুলিয়ার খেজুর বাগান মোল্লাবাড়ি গলি এলাকায় সোহেল হোসেনের প্রাচীর ঘেরা মালিকানাধীন একটি বাড়ির ভিতরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই গাছগুলো উদ্ধার করেন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, উঁচু প্রাচীর ঘেরা একটি বাড়ির ভেতর সারিবদ্ধ ভাবে লাগানো বিপুল সংখ্যক গাঁজা সদৃশ্য গাছ। বাহির থেকে তাজা গাঁজার মত গন্ধও ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে। তবে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিষয়টি তাদের জানা নেই বলে জানান। তবে ওই প্রাচীর ঘেরা বাড়ীর ভিতরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রহমান জানান, এই জায়গার মালিক সোহেল আহমেদ। তিন মাস আগে তিনি এখানে নিরাপত্তার কাজ নেন। আর তিন মাস আগেই অনেক লোক এসে এই গাছের চারা এখানে লাগান। কিন্তু মালিক তাকে বলেছিল ওই গাছগুলো বিদেশী ফুল গাছ। এগুলো গাঁজা গাছ কিনা তা সে জানে না বলে জানান।

তিনি জানান, জায়গার মালিক জমি কিনে বিক্রি করেন। বাড়ি তৈরী ও কেনাবেঁচার কাজ করেন। পাশেই ওনার আরও বাড়ি আছে বলেও জানান তিনি।

ফজলুল হক নামে এক গার্মেন্টস এর নিরাপত্তা প্রহরীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই বাগানের পাশেই থাকি। সোহেল নামে এক ব্যক্তি ওই জায়গার মালিক। তবে আগে যে এই জায়গা দেখাশুনা করত সে সবজি চাষ করত। নতুন করে আরেকজন ভিতরে নিরাপত্তার কাজ নিয়েছে। তবে ভিতরে গাঁজার গাছ আছে কিনা আমি জানি না।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক বলেন, ‘এটা একচ্যুয়ালি গাঁজা গাছ কিনা তা আমরা পরীক্ষা-নীরিক্ষা করতে ঢাকার সিআইডি ল্যাবে স্যাম্পল পাঠিয়েছি। তবে এটা ওরা (মালিকপক্ষ) বলতেছে, এই গাছটি দিয়ে ওজিটি ওয়েল তৈরি করে। তবে গাছটি গাঁজা গোত্রেরই। এরা নাকি বাইরে এক্সপোর্ট করার জন্য করেছে এটা। তবে কনফার্ম না জাচাই বাচাই চলছে। নেশার উপাদান আছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কৃষি অফিসার ও বিভিন্ন মাধ্যমে ফোন করে যেটুকু জানলাম এটাতে নেশার উপাদান আছে। তবে নেশার উপাদান কতটুকু আছে তবে মাত্রার পরিমাণ জানা না গেলে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

এবিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ হিল কাফি বলেন, আমাদের ধারণা উদ্ধারকৃত গাছগুলো গাঁজার গাছ। তবে আমরা সন্দেহ ধরে রাখতে চাই না। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে যদি গাঁজা গাছ হয় তাহলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।