সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনের মামলা

১০:৫৬ অপরাহ্ন | রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ফিচার

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। বিচারিক আদালত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১২ এপ্রিল দিন নিধারণ করেছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা করে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে মন্তব্য করায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম।

রোববার মামলা দায়েরের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করেন রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই এ কে চৌধুরী। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার থানায় মামলাটি করার পর মামলার এজাহার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্তের জন্য পুলিশকে নিদেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবাষিকীতে লন্ডনে আয়োজিত কমী সভায় তারেক রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচার, বিকৃত তথ্য দিয়ে বক্তব্য দেন। এ সময় তারেক রহমান জিয়াউর রহমানকে বাঙালি জাতির পিতা ও বাংলাদেশি পরিচয়দানকারী প্রতিটি মানুষের জাতির পিতা হিসেবে মন্তব্য করেন। পাশাপাশি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের পিতা হিসেবে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।

এছাড়া সভায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে মিথ্যাচার করেন- যার উদ্দেশ্য দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা।

এজাহারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গুজব সৃষ্টিকারী তারেক রহমানের ও তার সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বলা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী তারেক রহমান মোট চারটি মামলায় দণ্ডিত আসামি। ২০১৬ সালের ২১ জুলাই বিচারিক আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশে দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। দুই বছর পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তারেকের দণ্ড হয় ১০ বছর।

তারেকের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাজার রায় আসে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এ রায়ে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

মানহানির আরেকটি মামলায় বিচারিক আদালতে তারেক রহমানকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেন।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়ে পরের বছর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। জামিনের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দেশে ফেরেননি।