• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা ইশতেহার পাঠের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা

৬:১৭ অপরাহ্ন | বুধবার, মার্চ ৩, ২০২১ ঢাকা
tangail744

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- মহান স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বুধবার (৩ মার্চ) টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।

আলোচক হিসেবে ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন, ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা নুর-ই-আলম সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা ও লেখক রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক কবি আল মুজাহিদী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শজাহান সিরাজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান রাবেয়া সিরাজ’র সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের সভাপতি খন্দকার নাজিম উদ্দিন, স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ (শুক্লা সিরাজ) সহ আরো অনেকে। এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও বীরমুক্তিযোদ্ধারা আলোচনায় অংশ নেয়।

ব্যারিস্টার শুক্লা সারওয়াত সিরাজ তাঁর বক্তব্যে বলেন- ৩রা মার্চ শুধু স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের দিন নয়, এটি সেই দিন যে দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ছাত্রজনতা প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির জনক অভিধায় অভিসিক্ত করে। নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য পাঠ্যসূচিতে ইশতেহার অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, শাজাহান সিরাজসহ ইতিহাস খ্যাত চার খলিফার অবদান স্মরণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়া আহ্বান জানান।

নুর ই আলম সিদ্দিকী বলেন, অন্ধের হস্তী দর্শনের মতো যে যার দৃষ্টিভঙ্গীর মতে স্বাধীনতার ইতিহাসকে ব্যাখ্যা করেছেন স্বাধীনতার মূল নেতা, স্থপতি ও প্রেরণার জ্বলন্ত উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু কিন্তু ছাত্রলীগ ছিল তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মূল চালিকাশক্তি। বঙ্গবন্ধু ইঞ্জিনিয়ার হলে ছাত্রলীগ ছিলো রাজমিস্ত্রী।

শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন, ৩রা মার্চ শাজাহান সিরাজ পঠিত স্বাধীনতার ইশতেহার ৭ই মার্চে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিণতি লাভ করে। বেগম রাবেয়া সিরাজ স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের চার নেতা এবং বি. এল. এফ. এর চার নেতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবী জানান।

রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিকারীদের ৩রা মার্চ শাজাহান সিরাজ পঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার মনোযোগের সাথে পাঠ করার অনুরোধ করেন। ইশতেহার পাঠের মাধ্যমে বহু বিকৃতি ও বির্তকের অবসান ঘটবে।

আল-মুজাহিদী বলেন, শাজাহান সিরাজ ৩রা মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন।