সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০ মাস পর মুক্তি পেলেন কার্টুনিস্ট কিশোর

২:৪৪ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১ ফিচার
কিশোর

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দশ মাস কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেলেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর।

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) বেলা সোয়া ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে কিশোরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

জেল সুপার আবদুল জলিল জানান, “জামিনের কাগজপত্র আমরা ১১টার দিকে পেয়েছি। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে কিশোরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।”

কিশোরের মুক্তির সময় তার কয়েকজন আত্মীয়-বন্ধু কারাগারের বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন। কারাফটক থেকে বেরিয়ে আসার পর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে একটি সাদা রঙের গাড়িতে করে তিনি চলে যান।

এ সময় কারাগারের বাইরে থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি তিনি।

এর এক দিন আগে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ তাকে ছয় মাসের জামিন দেন।

কিশোরের সঙ্গে কারাবন্দি লেখক মুশতাক আহমেদ ২৫ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

সবশেষ মুশতাক ও কিশোরের জামিন আবেদন হাইকোর্টে নাকচ হয় প্রায় দুই মাস আগে। এরপর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে তাদের জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গত বছরের মে মাসে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। ২০২০ সালের ৬ মে গ্রেপ্তার হন এই দুজন।

এই মামলার অন্য ৯ আসামি হলেন রাজনৈতিক সংগঠন রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া, নেত্র নিউজের এডিটর-ইন-চিফ তাসনিম খলিল, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিক শাহেদ আলম, জার্মানিপ্রবাসী ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, হাঙ্গেরিপ্রবাসী জুলকারনাইন সায়ের খান (সামি), আশিক ইমরান, স্বপন ওয়াহিদ ও ফিলিপ শুমাখার।

ওই মামলায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয় রমনা থানা-পুলিশ। তবে সেখানে সুইডেনপ্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও আল জাজিরায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বিতর্কিত জুলকারনাইন সায়ের খানসহ (সামি) আট আসামির নাম না থাকায় আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়।

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে এই তদন্ত করে ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দিতে বলেছিলেন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন। তবে ২৩ ফেব্রুয়ারি নতুন তদন্ত কর্মকর্তা সিটিটিসির উপপরিদর্শক মো. আবসার আদালতে প্রতিবেদন দেয়ার সময় বাড়াতে আবেদন করেন।

এর দুই দিন পর ২৫ ফেব্রুয়ারি কিশোর ও মুশতাককে নতুন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত এই আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখ দেয়। তবে ওই দিন রাতেই মুশতাক আহমেদ মারা যাওয়ায় রোববার কেবল কিশোরের রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হয়। তখন কিশোরকে ফের রিমান্ডে পেতে পুলিশের আবেদন নাকচ করে আদালত।

এ মামলায় কারাগারে যাওয়া আরেক আসামি দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া জামিন পেতে তিনবার আবেদন করেন বিচারিক আদালতে। এরপর তিনি হাইকোর্টে আবেদন করে জামিনে মুক্তি পান। এছাড়া আরেক আসামি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন গ্রেপ্তারের চার মাস পর বিচারিক আদালত থেকেই জামিন পান। বাকি আসামিদের সবাই দেশের বাইরে আছেন।