সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

এক বছর পর গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী

২:১৭ অপরাহ্ন | রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১ ফিচার
pm

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- বাংলাদেশে করোনা মহামারির প্রকোপ শুরু হয় গত বছরের মার্চ মাস থেকে। করোনার বিস্তার রোধে ওই সময় থেকেই লকডাউনে চলে যায় সারাদেশ। তখন থেকেই গণবভনে এক প্রকার বন্দি জীবনযাপন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান ধানমন্ডিতে।

রোববার ঐতিহাসিক ৭ মার্চে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে সকাল সাতটায় রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা।

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে ২০২০ সালের ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে অঘোষিত লকডাউন শুরু হয়। এরও আগে থেকেই গণভবনে কার্যত বন্দি হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত হলেও আজ ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর টানে ধানমণ্ডিতে আসলেন প্রধানমন্ত্রী।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৭ জানুয়ারি সারাদেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কর্মসূচি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকালে গণভবনে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। ভ্যাকসিন গ্রহণের মাত্র ৩ তিনদিন পরেই গণভবনের বাইরে আসলেন তিনি।

করোনাকালে গণভবনের জীবনকে জেলখানার সঙ্গেই তুলনা করেছিলেন ছোটবড় সকলের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডা দিতে অভ্যস্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ নভেম্বর দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় তিনি বলেন, অনেকদিন পর সুযোগ পেলাম, অনেক বেশি বকবক করলাম। অনেক বেশি কথা বললাম। এখন আমি একা। কিন্তু জেলখানার মতোই আছি। সেটাই আমার দুঃখ। ২০০৭ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ছিলাম ছোট জেলে, এখন বড় জেলে আছি।

এছাড়া একাধিক ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বাইরে বের হতে না পারার অনুভূতি ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তার বন্দি জীবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হলে সব স্বাধীনতা থাকে না। আমিও একরকম বন্দি জীবনযাপন করছি। বের হতে পারি না। কারণ আমার বের হওয়ার সঙ্গে প্রায় এক হাজার লোকের সম্পৃক্ততার বিষয় জড়িত। এ জন্য ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমি বাইরে বের হতে পারি না।

রোববার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য ও দলের সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।