• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সন্ধ্যা ৭:২৭মিঃ

যতদিন বেঁচে আছি, আমার এলাকার একটি লোক না খেয়ে থাকবে না: জেএইচএম ডিএমডি

১২:৩৮ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১ চট্টগ্রাম, দেশের খবর
biplob

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর- বহুজাতিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিএমডি মেহেদী হাসান বিপ্লব বলেছেন, আল্লাহতালা আমাকে যতদিন বাঁচিয়ে রাখছেন, ততদিন আমার এলাকার একটি লোক না খেয়ে থাকবে না। কোনো জনপ্রতিনিধি থাকুক আর না থাকুক, এলাকার মানুষের পাশে আমি আছি।

সোমবার (০৮ মার্চ) রাতে চট্রগ্রামের ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের বালুটিলা যুব সমাজ ও এলাকাবাসী আয়োজিত তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার দাতঁমারা ইউনিয়নের বালুটিলা এলাকায় জন্মগ্রহণ করা মেহেদী হাসান বিপ্লব মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই একজন সফল ব্যবসায়ী। ব‌্যবসায় সফল তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার তালিকায় মেহেদী হাসান বিপ্লব একটি তারার নাম। মেহেদী হাসান বিপ্লব শুধু ব্যবসায়ী মহলেই পরিচিত নন, তিনি মানবতার ফেরিওয়ালাদের মধ্যেও একজন। মহামারি করোনাকালীন সময়ে তিনি নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

মেহেদী হাসান বিপ্লব বলেন, আমি এমন একজন ব্যক্তি, একটা ক্রেডিট কার্ড পর্যন্ত ব্যবহার করিনা যে সুদ হয়ে যাবে। আমাদের জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল এমন একটা প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংকে আমাদের একটি টাকা লোন পর্যন্ত নেই। আমরা সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবসা করে শতকোটি টাকা ট্যাক্স দিচ্ছি সরকারকে। অথচ এই এলাকার স্থানীয় কিছু জনপ্রতিনিধি আমার নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াছে, তাদের অবৈধকাজে সহযোগিতা না করায় আমার নামে কিছুদিন আগে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় রিপোর্ট করিয়েছিলেন তারা।

তিনি বলেন, আমার অপরাধ ছিল আমি এলাকার সুদ ও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলি, পতিতাবৃত্তির বিরুদ্ধে কথা বলি। এজন্য আমার পেছনে বিভিন্ন সময় তারা অনেক ধরণের ষড়যন্ত্র করেছে। তবে আল্লাহর রহমতে এসমস্ত লোক আমাকে কিছু করতে পারেনি।

জেএইচএম ডিএমডি বলেন, আমি কোনো ধরণের রাজনীতি সংগঠনের সাথে জড়িত নই, কোনো অন্যায় কাজের সাথেও নেই। কারণ আমার কোনো অবৈধ টাকার প্রয়োজন নেই, আমি মনে করি আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছে সেখান থেকেই চলতে পারব।

মানবতার ফেরিওয়ালাখ্যাত মেহেদী হাসান বিপ্লব বলেন, আমি নিজে এখনো ১৮ ঘন্টা কাজ করি। ফটিকছড়ির শত শত ছেলে-মেয়েকে আমি চাকরি দিয়েছি, কিন্তু মুখ ফুটে কখনো বলিনি। এখানকার প্রত্যেকটি মসজিদ, মাদরাসা এমনকি বাংলাদেশের যেকোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানেই খোঁজ পেয়েছি, আমি দান করার চেষ্টা করেছি। এছাড়া করোনাকালীন সময়ে প্রত্যেকদিন লাখ লাখ টাকা মানুষকে সহায়তা দিয়েছি। তবে এগুলো বলার বিষয় নয়, আমি কখনোই বলি না এগুলো।

‘কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো ভালো কাজ করতে গিয়ে আজ আমি বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। কিছু কথিত জনপ্রতিনিধি আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে, যাদের আমার কাজের লোক হওয়ার যোগ্যতা পর্যন্ত নেই।’

তিনি বলেন, আমি ভোটের কোনো রাজনীতি করিনা, আমি কোনো রাজনীতিবিদও না। আমার কিছু পাওয়ার নাই এখানে, শুধু দেওয়ার জন্য আসছি। আপনাদের যদি নেওয়ার মতো মানুসিকতা থাকে আপনারা নিতে পারবেন। আমি এখানে ভোটে দাঁড়াবো না। মেম্বার-চেয়ারম্যান এমনকি এমপিও হবো না, সুতরাং আমার কোনো ভয় নাই।

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে মেহেদী হাসান বিপ্লব বলেন, আমি এতদিন কোনো কথা বলিনি, এখন থেকে সব কিছুর প্রতিবাদ করব। আপনারা আমার সাথে খামাখা লাগতে আইসেন না।

এসময় মুসল্লিদের কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, আমি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি সেগুলো দ্রুতই বাস্তবায়ন করব। মসজিদের দোতালার ছাদ ও এখানে একটি মাদ্রাসা আমি করে দেব ইনশাল্লাহ। কারো কাছেই যেতে হবে না, আল্লাহ আমাকে যতদিন বাঁচিয়ে রেখেছে ততদিন আমি আছি আপনাদের পাশে।