• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মশা নিধন করতে পারলে মানুষের বকা থেকে বাঁচব: আতিক

৪:০৯ অপরাহ্ন | বুধবার, মার্চ ১০, ২০২১ জাতীয়
atik

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- মশক নিধন কর্মীদের মনিটরিং করাটা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। এই মুহূর্তে মশক কর্মীদের মনিটরিং করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। তারা ঠিকমত কাজ করছে কি করছে না এটা মনিটরিং করার জন্য বায়োমেট্রিক ও ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালু করা হবে। এটা করতে পারলে মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করেন তিনি। তবে নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা দিয়ে নয় যত তাড়াতাড়ি মশা নিধন করতে পারবো ততো তাড়াতাড়ি মানুষের বকাবকি থেকে বাঁচব।

বুধবার (১০ মার্চ) সকালে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন ৭টি ওয়ার্ডে একযোগে মশা নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু হয়। সেই কর্মসূচি পরিদর্শনে এসে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র একথা বলেন।

এ সময় উত্তরের মেয়র জানান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত জলাশয়, খাল, ডোবা যা ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে তা পরিস্কার করা হচ্ছে। সেখানেও ছিটানো হচ্ছে ওষুধ।

মেয়র আতিকুর ইসলাম বলেন, যে এলাকায় অভিযান চলছে সেই এলাকাবাসী সুফল পেতে শুরু করেছেন। রামচন্দ্রপুর খালের প্রবাহ সচল রাখতে নেয়া নানা পদক্ষেপেরও তদারকি করেন তিনি।

খাল পরিষ্কার ও মশক নিধনে করপোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সবাইকে নিয়ে চেষ্টা করছি। কেউ ঘরে বসে নেই। আমি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাঠে থেকে মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। ফুটপাতের ড্রেন এখন বড় সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ফুটপাতের নিচে যে ড্রেনগুলো রয়েছে সেগুলোতে ফগিং করা হচ্ছে। তারপর লার্বিসাইডিং করা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি কিভাবে মশাটাকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চাই মশা নিধন, খাল পরিচ্ছন্নতায়।

এসময় অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহা. আমিরুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কাসেম, ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. সলিমউল্লাহ (সলু), ৩১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।