সংবাদ শিরোনাম

‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে চায়ের স্টলে ইতালি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যাগোবিন্দগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দূঘর্টনায় স্কুল শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জন নিহতময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা গেলো ৩ শিশুমুহুর্তেই ভয়াবহ আগুন! স্কুলেই পুড়ে মরলো ২০ শিশু শিক্ষার্থী!সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু আর নেই

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

৩০টির অধিক দুর্নীতি-অনিয়ম তদন্তে হাজী দানেশে ইউজিসি’র তদন্ত দল

৫:৫০ অপরাহ্ন | সোমবার, মার্চ ১৫, ২০২১ রংপুর, শিক্ষাঙ্গন
car

আব্দুল আজিজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) তে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের ৩০টির বেশি অভিযোগে তদন্তে হাবিপ্রবিতে এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি।

আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় তদন্ত কমিটি এসে পৌছান। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ইউজিসি’র সদস্য প্রফেসর ড. বিশ^জিৎ চন্দ, প্রফেসর ড. আবু তাহের ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম শেখ।

গত ৮ মাচ ইউজিসি’র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম শেখ এক পত্রের মাধ্যমে হাবিপ্রবি কতৃর্পক্ষকে বিষয়টি অবগত করেছেন।

পত্রে পরীক্ষা ২০১৮ এর সহযোগী সদস্য সচিব খালেদ হোসেন, উদ্যানতত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. তরিকুল ইসলাম, জেনেটিক্স এন্ড এনিম্যাল ব্রিডিংয়ের চেয়ারম্যান ড. আবদুল গাফফার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক, ইন্সটিটিউট অব রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (আইআরটি)’র পরিচালক অধ্যাপক ড. তরিকুল ইসলাম, ড. বিধান চন্দ্র হালদার ও ড. শ্রীপতি শিকদার, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং প্ল্যানিং এন্ড উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহিমা খানম, ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার ডা. ফজলুল হক, কন্ট্রোলার অধ্যাপক মিজানুর রহমান, প্রকৌশল শাখার চাঁদ আলী, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) আব্দুর রাজ্জাক, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরিবহন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াহেদকেসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

গত ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাজ্জাদুল করিম নামে এক ব্যক্তি দূর্ণীতি দমন কমিশনকে এসব অভিযোগ করেন। দুদক বরাবরে অভিযোগপত্রে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম , কর্মকর্তা নিয়োগে অনিয়ম, কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম , আর্থিক অনিয়ম ও দূর্ণীতি, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া সরকারী টাকা আত্মসাৎ, প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের অনিয়ম ও দূর্ণীতি, শিক্ষককে বাঁচানোর চেষ্টা ও স্বাধীনতা বিরোধীদের পূর্ণবাসন, নির্মাণ কাজে ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজসে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা, মিথ্যা কাজের বিল দাখিল, গাড়ীর মিথ্যা মেরামত দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতিসহ ৩০টিরও অধিক অনিয়মের কথা বলা হয়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক জানান, যেসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হচ্ছে সেসব সত্য নয়, বেশিরভাগই মিথ্যা। এরপরও আমরা অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাবতীয় কাগজপত্রাদি দাখিল করবো।