• আজ মঙ্গলবার। গ্রীষ্মকাল, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ৬:৩৮মিঃ

সংসদে ভবনে পর্ন ছবি দেখার অভিযোগ, বরখাস্ত চার সরকারি কর্মকর্তা

৮:৫৫ পূর্বাহ্ন | বুধবার, মার্চ ২৪, ২০২১ আন্তর্জাতিক
International news

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার সংসদ ভবনে বসে সেক্স ভিডিও দেখার ঘটনা সেদেশে শিরোনামে। খোদ অজি প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। সংসদ ভবনের চার সরকারি কর্মকর্তা সেক্স ভিডিও দেখছিলেন। ক্যামেরায় তাঁদের সেই কীর্তি ধরা পড়ে যায়। দেশের সাংবাদমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও নিয়ে তীব্র অস্বস্তিতে পড়ে যায় অজি সরকার। বিতর্ক বাড়তেই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের কথা জানান অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সরকারি কর্মীদের এই আচরণ তিনি কখনই মানবেন না। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে তাদের বরখাস্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার রাতে নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়া এবং চ্যানেল টেন নিউজ তাদের প্রকাশিত খবরে জানিয়েছে, দেশের সংসদে চারজন সিনিয়র সরকারি অফিসার সেক্স ভিডিও দেখছিলেন। এই খবরের প্রমাণ হিসেবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে চ্যানেলগুলি। সেই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলিতে। বেজায় অস্বস্তিতে পড়ে যায় স্কট মরিসনের সরকার।

বিরোধী দলগুলি বিষয়টি নিয়ে টিপ্পনি কাটতে শুরু করে। বিতর্ক বাড়তেই ঘটনা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। ঘটনার নিন্দা করতে গিয়ে অজি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘‘এই ধরনের ঘটনা সংসদে কাজ করা কর্মীদের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত অপমানকর।’’

গত ফেব্রুয়ারি মাসে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন এক সরকারী কর্মচারী ব্রিটনি হিগিনস অভিযোগ করেছিলেন যে, তিনি ২০১২ সালের মার্চ মাসে সংসদে একজন সহকর্মীর ধর্ষিতা হয়েছিলেন। সেই সময়ে অ্যাটর্নি-জেনারেল ক্রিশ্চিয়ান পোর্টার ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে ছুটিতে চলে যান। যদিও সেই ঘটনা তিনি নিজে অস্বীকার করেছিলেন।

তবে এবার সংসদ ভবনের এই ঘটনা নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে স্কট মরিসনের সরকার। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত চারজনকে বরাখাস্ত করার কথা জানিয়েছেন অজি অর্থমন্ত্রী সাইমন বার্মিংহ্যাম। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের ঘটনা দেশের করদাতাদের প্রতি অবজ্ঞার পরিচয় দেয়। করদাতাদের টাকায় সরকারি কর্মীরা বেতন পান। যে সরকারি কর্মীরা এই ধরনের নক্কারজনক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাঁদের ব্যাগপত্তর গুছিয়ে নিয়ে এখান থেকে চলে যাওয়াই ভালো।’’