সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মাদারীপুরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামহীন স্তম্ভেই পালিত হবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি

৭:২৪ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৫, ২০২১ ঢাকা
Madaripur muktizodda siriti

মেহেদী হাসান সোহাগ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: মাদারীপুরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভে এখনো লিপিবদ্ধ করা হয়নি শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক কোন অযত্ন আর অবহেলায় পরে আছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামহীন স্তম্ভটি। এছাড়া জেলার সবচেয়ে বড় বদ্ধভূমিটি এখন গোচরনভূমি। অবহেলিতভাবে পরে আছে অন্যান্য বদ্ধভূমিগুলোও। জেলার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও নিরব জেলা প্রশাসন। তবে লিপিবদ্ধ হীন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভে পালন করা হবে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ৫০বছর পূর্তি।

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও মাদারীপুর জেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা চুড়ান্ত করতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়। তাই শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণে স্তম্ভ নির্মাণ হলেও তাতে লেখা যায়নি শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম। অযত্ন আর অবহেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কোণে নিরবে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামহীন স্তম্ভটি। অন্যদিকে জেলার ১৫টি বদ্ধভূমি পরে আছে অবহেলায়। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় বদ্ধভূমিটি হচ্ছে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পরিত্যাক্ত জুট মিলের মধ্যে। দেখে উপায় নেই এটি কোন বদ্ধভূমি। এ যেন একটি গোচরণভূমি। প্রতিবছর মুক্তিযোদ্ধারা এই খোলা মাঠে মোমবাতি জ্বালিয়ে স্বরণ করেন সেই অভাগাদের। যাদের পাক বাহিনী হত্যা করে এখানে মাটিচাপা দিত। এতে ক্ষুব্দ মুক্তিযোদ্ধারা, ক্ষুব্দ দেশপ্রেমিক মানুষেরা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই সরকার স্তম্ভে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা লিপিবদ্ধ করবে এবং দ্রুত বদ্ধভূমিগুলো চিহ্নিতকরণ ও সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করবে এমনটাই আশা করছে ছিল মাদারীপুরবাসী। কিন্ত তাও হচ্ছে না।

মাদারীপুরের  মুক্তিযোদ্ধকালিন খলিল বাহিনীর প্রধান মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খান জানান, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি  যেমন আনন্দের তেমনই বেদনা দায়ক যে সকল মুক্তিযুদ্ধের স্বরনে স্মৃতিস্তম্ভ  তৈরি করা হয়েছে, এখনো তাদের নাম লেখা হয় না, বিষয়টি আমাদের কাছে খুবই হতাশাজনক।

মাদারীপুরের মুক্তিযোদ্ধা আলী কাজী জানান, সবচেয়ে দুখের বিষয় হচ্ছে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে শহিদ হয়েছে তাদের একটা বন্ধভুমি যেখানে পাক-হানাদার তাদেরকে মেরে রেখেছে, তাদের স্মৃতির জন্য কোন একটাও স্তম্ভ করা হয়নি,আমারা প্রতি বছর মোম বাতি জালয়ে খোলা মাঠে দিবস টি পালন করি।

মাদারীপুর নাট্য ব্যক্তিত্ব আ.জ.ম কামাল জানান, আমারা বাঙ্গালী জাতী স্বাধীনতার ৫০বছর উদযাপন করছি, কিন্তু দুক্ষের বিষয় যাদের দ্বারা এই দেশ স্বাধীন হল শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের ফলক নামায় নাম থাকার কথা কিন্তু তাদের নাম নাই এবং অরক্ষিত এবং নোংরা ভাবে আছে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, বদ্ধভূমি সংরক্ষণ ও স্তম্ভে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা খোদাই করে লিপিবদ্ধ এখনো কার হয়নি তবে আমরা এটা করার চেস্টা করছি। তাছাড়া আমার জেলা প্রশসানের পক্ষ থেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তালিকা করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রাণলয়ে পাঠিয়েছি সেটা গেজেট পাশ হয়ে আসার আগ পযন্ত আমরা নামগুলো লিপিবদ্ধ করতে পারছি না।