সংবাদ শিরোনাম

মহাসড়ক যানশূন্য, শিমুলিয়ায় ফেরি পারাপার বন্ধ‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে চায়ের স্টলে ইতালি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যাগোবিন্দগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দূঘর্টনায় স্কুল শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জন নিহতময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা গেলো ৩ শিশুমুহুর্তেই ভয়াবহ আগুন! স্কুলেই পুড়ে মরলো ২০ শিশু শিক্ষার্থী!

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

৫ দিনের শিশুসন্তানের পাশেই ঘাতক স্বামীর বালিশ চাপায় খুন হলো সরকারী কর্মকর্তা মা!

৪:৪০ পূর্বাহ্ন | রবিবার, মার্চ ২৮, ২০২১ Uncategorized
ঘাতক স্বামীর

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, সময়ের কণ্ঠস্বরঃ টাঙ্গাইল জেলা কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদোয়ানা ইসলাম ইলুর (৩০) সঙ্গে মনোমালিন্য ছিল স্বামী মো. দেলোয়ার রহমান মিজান (৪৫) এর ।

পারিবারিক বিরোধের জের নিয়ে বারকয়েক মিমাংসার উদ্যেগও নিয়েছিলো জেলাপ্রশাসন সহ স্থানীয়রা। তবে শেষ রক্ষা হলোনা আর! শেষ অবধি অশান্তির জের ধরেই হত্যার শিকার হলো রেদোয়ানা ।

শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে প্রসূতি ওয়ার্ডে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন দেলোয়ার।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি সন্ধ্যায় কুমুদিনী হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে স্বামীর হাতে স্ত্রী হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রেদোয়ানার পিতার নাম রফিকুল ইসলাম। গ্রামের বাড়ি রংপুর জেলার রোমানতলা গ্রামে। তার স্বামীর নাম মো. দেলোয়ার রহমান মিজান। স্বামী মিজান একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা।

জানা যায়, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয়ে দীর্ঘ দিন মনোমালিন্য ছিল। গত ২২ মার্চ প্রসব ব্যথা নিয়ে খন্দকার রেদোয়ানা ইসলাম ইলু হাসপাতালে ভর্তি হন। ৫ দিনের শিশু কন্যা রয়েছে। শনিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে তার স্বামী মিজান কুমুদিনী হাসপাতালে আসে স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে দেখতে। এসময় ওয়ার্ডে কেও না থাকার সুযোগে স্ত্রীকে হত্যা করে ঘাতক স্বামী পালিয়ে যায়।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) দীপংকর ঘোষ, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রিজাউল হক শেখী দিপু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন

সিলেটে ফুফুর বাড়িতে আশ্রিত ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক আটক

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, জেলা কালচারাল কর্মকর্তার হত্যার ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ছিল দীর্ঘ দিনের। এ নিয়ে জেলা পর্যায়ে মীমাংসার চেষ্টাও হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে এসে স্ত্রীকে এভাবে হত্যা করবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। ঘাতক স্বামী মিজানের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এ ব্যাপারে কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম (অপারেশন) অনিমেশ ভৌমিক লিটন বলেন, হাসপাতালে প্রতিটি ওয়ার্ডে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রসূতি রেদোয়ানার স্বামী পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার পর দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি নেই বলেও দাবী করেন তিনি ।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি সন্ধ্যায় কুমুদিনী হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে স্বামীর হাতে স্ত্রী হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) দীপংকর ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে রেদোয়ানার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন

সিলেটের হোটেল তিতাসে পুলিশের অভিযান, নারীসহ আটক ১০