ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পুলিশ-হেফাজত সংঘর্ষ, নিহত ২

৫:১৬ অপরাহ্ন | রবিবার, মার্চ ২৮, ২০২১ চট্টগ্রাম
michil

সময়ের কণ্ঠস্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। রোববার সকাল থেকেই হরতাল সমর্থকরা বিভিন্ন সড়ক মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।

এ সময় তারা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেন।

এ সময় শহরের পৈরতলা, পুলিশ লাইন্স এলাকা, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক, বিশ্বরোড এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সরাইলে নতুন করে দুজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া বিক্ষুব্ধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, শিল্পকলা একাডেমি, জেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ভূমি অফিস, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, জেলা আওয়ামী লীগের অফিস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, আনন্দময়ী কালিবাড়ি মন্দির, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি, শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা চত্বর, উন্নয়ন মেলাসহ বিভিন্ন সরকারি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামি হামলাকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা যায়, আজ সরাইলে দুইজন নিহতের মধ্যে কালন মিয়ার বাড়ি উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাটিহাতা গ্রামে। তার বড় ভাই মাওলানা আবদুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের গুলিতে তার ভাই নিহত হয়েছেন।

নিহত আরেকজন হলেন উপজেলা সদরের কুট্টাপাড়া গ্রামের সুফি আলীর ছেলে আল আমীন। হাসপাতালে নেয়ার পর সে মারা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টার কিছু পর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে খাটিহাতা হাইওয়ে থানার সামনে জলকামানে অগ্নিসংযোগ করেন হরতাল সমর্থকরা। এসময় হাইওয়ে থানায়ও হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ গুলি চালায়।

এর আগে শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর বাজার এলাকায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের সাথে হেফাজত নেতাকর্মী ও স্থানীয় কাসিন্দাদের সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ছয়জন মারা যান।