🕓 সংবাদ শিরোনাম

চুয়াডাঙ্গায় ৬ বছ‌রের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতারলাথি দেওয়া সেই শিক্ষক ছেলের আইনানুগ বিচার চান বাবামানিকগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতারহামলা ঠেকাতে প্রশাসন ব্যর্থ নাকি গাফিলতি, প্রশ্ন ইনুরগোপালগঞ্জে পিকআপ ভ্যান ও নসিমনের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ২লিটারে ৭ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দামযুবলীগ চেয়ারম্যানের নম্বর ক্লোন করে প্রতারণা, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি শেয়ার করায় সাংবাদিক গ্রেপ্তারহিন্দু ভাই-বোনদের ভয় নাই, পাশি আছি: ওবায়দুল কাদেরসহিংসতায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  • আজ মঙ্গলবার, ৩ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ১৯ অক্টোবর, ২০২১ ৷

কাটছেনা নিরাপত্তা শংকা! ফের প্রায় ৫৪ কোটি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের দাবী হ্যাকারদের

গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য
❏ রবিবার, এপ্রিল ৪, ২০২১ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বরঃ প্রায় ৫৩ কোটিরও অধিক ফেসবুক গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাস করার দাবী করেছেন হ্যাকাররা। এই ঘটনায় তোলপাড় চলছে সামাজিক মাধ্যমে। ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের শংকায় ভুগছেন মিলিয়ন ফেসবুক ব্যাবহারকারী!

তবে এমন খবরকে গুজব উল্লেখ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব ডাটা পুরনো। এবং এ নিয়ে শংকার তেমন কোন কারন নেই!

ফেসবুকের তথ্য ফাঁসের খবর দিয়ে অনলাইন অ্যাক্সিওজ বলেছে, ফাঁস হয়ে গেছে ফেসবুকের কমপক্ষে ৫৩ কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ডাটা।

একজন তথ্য ফাঁসকারী হ্যাকারের বরাত দিয়ে অনলাইন অ্যাক্সিওজ শনিবার বলেছেন, তারা ফেসবুকের ৫৩ কোটি ৩০ লাখ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ করছে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর, অবস্থান, জন্ম তারিখ, জীবনবৃত্তান্ত, ইমেইল ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য।

অন্যদিকে, এমন দাবীর প্রেক্ষিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব তথ্য ২০১৯ সালের আগস্টে ফাঁস হয়েছিল। কিন্তু তা তখনই ঠিকঠাক করে ফেলা হয়েছে। তা সত্ত্বেও ব্যবহারকারীদের আতঙ্ক কাটছে না। কারণ, এসব ডাটা ফ্রিতে পাওয়া যয়। তা ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা একজন মানুষের ব্যক্তিগত সব তথ্য নিয়ে তাকে যেকোনো ফাঁদে ফেলতে পারে।

হ্যাকারদের বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদে প্রকাশ, ফাঁস হওয়া এসব ডাটার মধ্যে ৩ কোটি ২০ লাখ মার্কিন নাগরিকদের ডাটা রয়েছে, বৃটিশদের রয়েছে এক কোটি ১০ লাখ,
এবং ভারতের ৬০ লাখ ব্যবহারকারীর ডাটা।

হাডসন রক নামের সাইবারক্রাইম গোয়েন্দা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সিটিও অ্যালন গাল বলেন, সাইবার অপরাধীরা এসব তথ্য ব্যবহার করে যেকোনো ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলতে পারেন এমনকি তাদের কাছ থেকে অর্থও হাতিয়ে নিতে পারেন ।

অ্যালন গাল বলেন, ফোন নম্বরসহ এত বিশাল পরিমাণ ডাটা প্রকাশ হয়ে পড়ায় তা কুচক্রী মহলের দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে এমন নয়। তারা সামাজিক মাধ্যমে এসব ব্যবহার করে হ্যাকিং করার চেষ্টা করতে পারে। এক্ষেত্রে ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা আস্থা ভঙ্গের আশঙ্কায় ভুগতে পারেন এবং কর্তৃপক্ষের সে মতো ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

অ্যালন গালের মতে, এই ফাঁসের ফলে ব্যবহারকারীদের যে ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে ফেসবুক তাদেরকে কোনো সাহায্য করতে পারবে না, তারা যতই ঠিকঠাক করুক। কারণ, এরই মধ্যে ফাঁস হওয়া ডাটা বিভিন্ন স্থানে পোস্ট করা হয়ে গেছে। তবে এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নোটিফাই করতে পারে ফেসবুক। তাদেরকে বলতে পারে যে তাদের এই একাউন্টগুলো প্রতারণার শিকারে পরিণত হয়েছে। ফলে তারা যেন সে মতো ব্যবস্থা নিতে পারেন।

ওদিকে অ্যাক্সিওজের স্কট রোজেনবার্গ বলেন, ফেসবুকে যখনই আপনি কোনো তথ্য পোস্ট করেন, অথবা কোনো পোস্ট দেন, এর অল্প সময় পরেই তা পাবলিক হয়ে যায়। অর্থাৎ তা প্রকাশিত হয়। যদি এক্ষেত্রে আপনি ওই তথ্যকে প্রাইভেট হিসেবে রাখেন অথবা কোনো সুনির্দিষ্ট বন্ধুর মধ্যে সীমিত রাখেন, তাতেও তা এক সময় সবার সামনে চলে আসে।

ফলে এজন্য কোনো ব্যবহারকারীকে সুরক্ষা দেয়ার দায় এড়াতে পারে না ফেসবুক। তবে এটা বলা যায়, ফেসবুক ব্যবহারকারীকে নিজেকে তার নিজের মতো সুরক্ষিত থাকার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ

আল জাজিরার সেই প্রতিবেদন সরাতে ফেসবুক-ইউটিউবকে চিঠি

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন