• আজ রবিবার। গ্রীষ্মকাল, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১১:৫০মিঃ

রফিকুল ইসলাম মাদানীর মুক্তির দাবি হেফাজতের

৬:০৬ অপরাহ্ন | বুধবার, এপ্রিল ৭, ২০২১ আলোচিত
rafiq madani

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- রাষ্ট্রবিরোধী ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে আটক ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর (২৭) মুক্তির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে রফিকুল ইসলামকে নেত্রকোণা থেকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা। তাকে আটকের পর বুধবার (৭ এপ্রিল) হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে মুক্তির এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে মাওলানা আজিজুল হক বলেন, ‘অবিলম্বে মাওলানা রফিকুল ইসলামকে মুক্তি দিন। অন্যথায় এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও আলেম-ওলামার ইজ্জত রক্ষা এবং মসজিদ-মাদরাসা হেফাজতে দল-মত নির্বিশেষে লড়াই করতে আপামর জনগণ সর্বদা প্রস্তুত আছে। কোনো অপশক্তির গুম-খুন বা হুমকি-ধমকিকে নায়েবে রাসূল ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা পরোয়া করে না।’

আজিজুল হক বিবৃতিতের আরও বলেন, বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত তরুণবক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলামকে গতরাতে নেত্রকোণা জেলার নিজ বাড়ি থেকে র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘রফিকুল ইসলাম একজন জনপ্রিয় ওয়ায়েজ। কুরআন ও হাদিসের আলোকে সমকালীন প্রেক্ষাপট নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন। তার বয়ানে দেশের কল্যাণে মানুষের অন্তরে ঈমানী চেতনা জাগ্রত হয়। দেশের প্রতি ভালোবাসার তাগিদে জনগণকে অন্যায়-জুলুম ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হওয়ার আহ্বান করেন। এটা তার অপরাধ হলে দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনতে পরতেন। কিন্তু কোনো ধরনের পূর্ব মামলা ছাড়া বিনা কারণে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের অন্যায় কী পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।’

এর আগে গত ২৫ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে মতিঝিল থেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে হেফাজতে ইসলামের সহিংস কর্মকাণ্ড এবং হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নারীসহ সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর অনলাইনে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন এই বক্তা। ফেসবুক লাইভে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা বক্তব্য দেন তিনি।