• আজ বুধবার, ১১ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৭ অক্টোবর, ২০২১ ৷

ফরিদপুরের সালথার তান্ডব পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল

hanif
❏ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৮, ২০২১ ঢাকা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: লকডাউনকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি অফিসে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালানোর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসছিলেন আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুরের সালথায় পৌঁছায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ওই সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলটি।

সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারুক খান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, আ,ফ,ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস,এম কামাল ও মির্জা আজম। এসময় প্রতিনিধি দলটি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে উপজেলায় একটি প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিবাদ সভায় প্রতিনিধি দলটি বলেন, এ তান্ডবের ঘটনার সাথে বিএনপি জামাতের ষড়যন্ত্র রয়েছে। এরা আওয়ামী লীগকে পতনের ষড়যন্ত্রও করছে। তারা বলেন, এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তদন্ত করে তাদের খুঁজে বের করা হবে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে করোনা মোকাবিলায় বিধিনিষেধ কার্যকর করতে লোকজনকে পেটানো হয়েছে- এমন গুজব ছড়িয়ে সালথা থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করে তাণ্ডব চালায় স্থানীয়রা। ওই ঘটনায় কেউ কেউ গুজব ছড়ায়, পুলিশের গুলিতে অনেকে মারা গেছে। এছাড়া মাদরাসার মুহতামিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও গুজব ছড়ানো হয়। এমন নানা গুজবে জড়ো হয় শতশত মানুষ।

একপর্যায়ে সালথা থানা, উপজেলা কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন সরকারি কার্যালয় ও আবাসিক ভবনে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধরা। আগুন দেয়া হয় ভূমি কার্যালয়, ইউএনও এবং সহকারী কমিশনারের (ভূমি) গাড়িতে। ওই দিন সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব তাণ্ডব চালানো হয়। এতে একজন নিহত হন। পরে গতকাল বুধবার আরো এক জনের মৃত্যু হয়।

ওই ঘটনায় প্রায় চার হাজার জনকে আসামি করে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মামলা করেন সালথা থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান। ঘটনার রাতে উপজেলার ফুকরা বাজার এলাকায় হামলায় এসআই মিজানুর আহত হন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।