সিরাজগঞ্জ ছাত্রলীগ সম্পাদকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

abdullah
❏ রবিবার, এপ্রিল ১১, ২০২১ রাজশাহী

সময়ের কণ্ঠস্বর, সিরাজগঞ্জ- সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্পপার্ক প্রকল্প এলাকায় মালামাল প্রবেশে বাধা প্রদান ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ বিন আহমেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এখন সিরাজগঞ্জে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

গত ২৩শে মার্চ বিসিক শিল্পপার্কের (ঢাকা) চেয়ারম্যান মোশ্তাক হাসান স্বাক্ষরিতপত্রে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যার স্মারক নং-বিশিপা/ সিরাজ/ প্রশাঃ ও অফিস আদেশ-০৫/ ২০২০/২১৭১।

একই সঙ্গে বিসিক শিল্পপার্ক সিরাজগঞ্জ (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাব-১২, মেয়র সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য বরাবর অনুলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) চেয়ারম্যান মোশ্তাক হাসান এনডিসি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে সিরাজগঞ্জ শিল্পপার্ক। যেখানে ৪০০ একর জমির উপর নির্মিত শিল্প পার্কটির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিকে শক্তিশালী অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। এখানে দেশী-বিদেশী আধুনিক শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে কমপক্ষে ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার সমস্যার সমাধান হবে।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পের বাউন্ডারি ওয়াল, রাস্তা, অফিস ভবন, ড্রেন-কালভার্ট ইত্যাদি কাজ বাস্তবায়নে কাজসমূহের মালামাল প্রবেশে স্থানীয়ভাবে বাধা প্রদান, চাঁদাবাজি, অযাচিত উৎপাতের কারণে প্রকল্পের কার্যক্রমে ব্যাহত করছে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ, ছোবহান আলী ও রফিক গং বাহিনী। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকিসহ মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শনিবার সন্ধ্যায় বিসিক শিল্পপার্ক সিরাজগঞ্জের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সাজিদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, বিসিক শিল্পপার্কের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সরাসরি ঢাকা অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমি শুনেছি। ঢাকা অফিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ বিন আহমেদ বলেন, ‘প্রকল্পের বাউন্ডারি ওয়াল, রাস্তা, অফিস ভবন, ড্রেন-কালভার্ট কাজের সাব-ঠিকাদার আমি নিজেই। এখানে চাঁদা বা হুমকির প্রশ্নই আসে না। প্রকল্পের মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাজেদ অ্যান্ড সন্স আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিতে পারে।’