🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৬ অক্টোবর, ২০২১ ৷

মামুনুল হককে মুক্তির দাবি খেলাফত মজলিসের

mamunul
❏ রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী, নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা আলী উসমান, মুফতি সাঈদ নূর ও যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতি শরাফত হোসাইন বিবৃতিতে তাকে মুক্তির দাবি জানান।

বিবৃতিতে খেলাফত মজলিস নেতারা বলেন, ‘রোববার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১২টায় আল্লামা মামুনুল হককে মুহাম্মদপুরের জামিআ রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এভাবে রমজান মাসে আলেম-উলামা ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও গ্রেফতার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। হয়রানি ও গ্রেফতার বন্ধ এবং আটকদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় আলেম-উলামারা ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।’

তারা আরও বলেন, হয়রানি ও গ্রেফতার করে আলেম-উলামাদের আন্দোলনকে ঠেকানো যাবে না। দেশের জনগণ ইসলাম ও দেশের প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত।

এর আগে আজ রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম ও ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের যৌথ অভিযানে মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে। তাকে গ্রেপ্তারের পর তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নেয়া হয়।

মামুনুলকে গ্রেফতারের বিষয়ে রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশিদ।

ডিসি হারুন বলেন, ২০২০ সালের মোহাম্মদপুর থানার একটি ভাঙচুর ও নাশকতার মামলায় তদন্ত চলছিল। তদন্তে হেফাজত নেতা মামুনুলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সুস্পষ্ট হওয়ায় আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তা আপনারা জানেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি হারুন বলেন, বায়তুল মোকাররম, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, হাটহাজারির ঘটনার পর থেকেই তিনি নজরদারিতে ছিলেন। সবকিছু মিলিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে আপাদত মোহাম্মদপুর থানার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।