তেজগাঁও থানায় ইফতার করলেন মামুনুল হক

❏ রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ
mamunul

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হককে গ্রেফতারের পর তেজগাঁও থানায় নেয়া হয়। সেখানেই তিনি ইফতার ও মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। থানা পুলিশ তার ইফতারের ব্যবস্থা করেন।

রোববার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তেজগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাহমুদ খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুপুরে গ্রেফতারের পর তেজগাঁও ডিসি স্যারের কার্যালয় থেকে তেজগাঁও থানায় মামুনুল হককে আনা হয়। যেহেতু তিনি রোজা ছিলেন সেহেতু থানা পুলিশ তার ইফতারের ব্যবস্থা করে।

আজকে মামুনুলকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে নেয়া হবে কি-না জানতে চাইলে মাহমুদ খান বলেন, আমাদের তেজগাঁও বিভাগের ঊর্ধ্বতন স্যারেরা থানায় আসবেন। এরপর সিদ্ধান্ত হবে তাকে আজকে ডিবিতে নেয়া হবে কি-না।

এদিকে, তেজগাঁও থানা সূত্র থেকে জানা যায়, ইফতারের আগে মামুনুলের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ইফতার শেষে তিনি থানাতেই নামাজ আদায় করেন। সন্ধ্যার পর থানায় তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ডিবিতে হস্তান্তর করা হবে।

মামুনুল হককে আজ রোববার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে বেলা একটায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ গ্রেপ্তার করে।

এর আগে দুপুর ১২টা থেকে ওই এলাকায় গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা এবং দাঙ্গা পুলিশের সদস্যরা অবস্থান নেন। গ্রেপ্তারের পর মামুনুল হককে প্রথমে শ্যামলীতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেখান থেকে বেলা দুইটায় নেওয়া হয় তেজগাঁও থানায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানেই আছেন।

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ বলেন, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুরে একটি ভাঙচুরের মামলায় মামুনুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা আছে মতিঝিল, পল্টন ও নারায়ণগঞ্জে। পরে সেসব সমন্বয় করা হবে। আগামীকাল সোমবার মামুনুলকে আদালতে তোলা হবে।

তেজগাঁও পুলিশের একটি সূত্র বলেছে, ২০২০ সালের ৭ মার্চ মোহাম্মদপুর থানায় হওয়া মামলায় মামুনুল হক সাত নম্বর আসামি। মামলার প্রাথমিক তথ্যবিবরণীতে তাঁর বাবার নাম ও ঠিকানা অজ্ঞাত লেখা আছে। মোহাম্মদপুরের চাঁন মিয়া হাউজিংয়ের বাসিন্দা জি এম আলমগীর শাহীন বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন।