🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৬ অক্টোবর, ২০২১ ৷

রাজপথে নামার পক্ষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানরা

BNP
❏ বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- দল পুনর্গঠন এবং রাজপথে সরকারবিরোধী আন্দোলন একসঙ্গে করার পক্ষে মত দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানরা। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) বিকালে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে তাঁরা এই মত দেন।

তিন ঘন্টাব্যাপী ওই বৈঠকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। বৈঠক পরিচালনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বৈঠকে ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাজাহান, মীর মো. নাসির উদ্দিন এবং কাজী শাহ্ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ অংশ নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দলের হাইকমান্ডকে ভাইস চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন, ক্ষমতাসীন সরকারের নির্যাতন, মামলা-হামলার বিরুদ্ধে আন্দোলনের বিকল্প নেই। যার নেতৃত্ব বিএনপিকে দিতে হবে। এজন্য কালবিলম্ব না করে রাজপথের আন্দোলনে যাওয়ার বিষয়ে তাঁরা মতামত দেন। একইসংগে তাঁরা দলকে শক্তিশালী করতে পুনর্গঠনের উপরও জোর দেন। তবে সেই পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে আন্দোলনের মধ্য দিয়েই নির্ধারণ করতে বলেছেন তাঁরা; যাতে রাজপথ থেকে যোগ্য নেতৃত্ব বাছাই করা যায়।

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিষয়ে নেতারা জানান, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সংগে সম্পৃক্ত সকল দল ও মতকে ঐক্যবদ্ধ করে যুগপৎ আন্দোলনে যেতে হবে। সেখানে ডান-বাম কোনো ভেদাভেদ রাখা যাবে না।

বৈঠকে বেশ কয়েকজন নেতা বিএনপির আন্দোলনবিমুখতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্রের জন্য বিএনপিকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। বিএনপি যদি তা না করতে পারে, তাহলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সমূহ ক্ষতি হতে পারে। যার দায়ভার বড় দল হিসেবে বিএনপিকে নিতে হবে বলেও মনে করেন তারা।

বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন নেতা জানান, বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে ধারাবাহিক এ বৈঠকের মাধ্যমে দলের হাইকমান্ড সব নেতার মতামত নিচ্ছেন। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। এ ছাড়া এর মাধ্যমে দলের তৃণমূল পর্যায়ে একটি ভালো মেসেজ যাবে।

বৈঠকে দলের হাইকমান্ড এসব সিনিয়র নেতাকে আরও সক্রিয় হয়ে সংগঠন ও মাঠ গোছানোর পরামর্শ দেন। সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে বৃহৎ আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন। এর বাইরে বৈঠকে দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক, অতিমারি করোনা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।