🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!বাংলাদেশিদের ভালোবাসা দেখে বিস্মিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতায় ট্রাক ও পিকআপখেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরব

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের দাবি বিএনপির

fokrul
❏ শনিবার, এপ্রিল ২৪, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ভারতের সঙ্গে দেশের সব স্থলসীমান্ত বন্ধের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

শনিবার দুপুরে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘করোনার ভয়ংকর প্রকোপে বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি। ইতিমধ্যে বিশ্বে সংক্রমণের হারের দিক থেকে ভারত বহু দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। সেখানে সংক্রমণ মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেছে, সেখানকার পরিস্থিতিও ভয়াবহ।

‘আমি ভারতের বিষয়টা এ কারণে উল্লেখ করছি যে ভারতের সঙ্গে আমাদের এখনও বিপুল পরিমাণ ব্যবসায়িক সম্পর্ক এবং স্থলপথে আমাদের নাগরিকদের যাতায়াত আছে। বিশেষ করে মেডিক্যাল ভিসা পেতে ও অন্যান্য কারণে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে ভাইরাসের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। সে জন্য আমরা মনে করছি স্থলপথে যে সীমান্তগুলো প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে এখনও খোলা রয়েছে সেগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া দরকার।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন- সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বাইরে থেকে যারা বিমানে দেশে আসবে, তাদের তিনদিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বিশ্বের কোথাও এমনটা শুনিনি। এ ধরনের সিদ্ধান্তগুলো পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে ফেলছে।

লকডাউন ঘোষণার পরে যারা গ্রামে চলে গিয়েছিল, তারা এখন আবার ঢাকা ফিরে আসছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার বলছে আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে শপিংমল খুলে দেওয়া হবে। আর আজ পত্রিকায় এসেছে যে যারা দোকান-পাটে কর্মরত শ্রমিক আছেন, যারা ছোট ছোট দোকান করেন তারা এখন আবার ঢাকায় আসতে শুরু করেছে। তারা আসবেন এটাই স্বাভাবিক। এখানে জীবিকার প্রশ্ন রয়েছে। আবার তারা ঈদের দুই-একদিন আগে গ্রামে ফিরে যাবেন। ফলে, সারাদেশে করোনা সংক্রাম মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ইতিমধ্যে করোনা নতুন ধরনে বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। এর থেকে শিশুরাও রক্ষা পাচ্ছে না। আমরা আবার বলতে চাই, পরিকল্পতি সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।