🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৬ অক্টোবর, ২০২১ ৷

বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ আরও বেড়েছে

corona
❏ শনিবার, এপ্রিল ২৪, ২০২১ ঢাকা

মেহেদী হাসান সোহাগ, মাদারীপুর প্রতিনিধি- মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে যাত্রীদের চাপ আরো বেড়েছে। শুক্রবারের চেয়ে শনিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ রয়েছে দ্বিগুণের বেশি। যাত্রীদের বেশির ভাগই ঢাকাগামী। আর যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন প্রবনতাও নেই।

জানা গেছে, সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেও মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড় দেখা গেছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও শনিবার সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সাধারণত ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনা ভাইরাসের চলমান লকডাউনে চলাচল করছে মাত্র ৫টি ফেরি। সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এছাড়া যাত্রীদেরও চাপ বাড়তে থাকে ফেরিঘাটে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে করে পারাপার হচ্ছেন। অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপের কারনে উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি।

এনজিও এক কর্মি রাতুল বলেন, লকডাইনে বাড়ী গিয়েছিলাম এখন আগের চেয়ে শিথিল করায় আমি আমার কর্মস্থলে ফিরছি।

হাফিজুল নামে এক ঢাকাগামী একজন জানান, শিথিল যখন করেছে পরিবহনগুলো চালু করলে আমাদের এতো কস্ট হতো না। তাছাড়া এই ঘাট পযন্ত আসতে আমার দুই হাজার টাকা খরচ হয়েছে এরপর ওপার গিয়ে ঢাকা যেতে আরাও টাকা লাগবে। পরিবহন চালু থাকলে ঢাকা পৌছাতে লাগতো ৫শ থেকে ৭শ টাকা।’

মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, ‘সীমিত পরিসরে ফেরি দিয়ে জরুরী সেবা প্রদানকারী যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক, কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ী অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

এদিকে ইজিবাইক, সিএনজি, মোটর সাইকেলযোগে বাড়তি ভাড়া দিয়ে দক্ষিনাঞ্চল থেকে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। পরে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন তারা।’