বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ আরও বেড়েছে


❏ রবিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২১ ঢাকা

মেহেদী হাসান সোহাগ, স্টাফ রিপোর্টার- শপিংমলসহ দোকানপাট খোলায় মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে যাত্রীদের চাপ আরো বেড়েছে।

শুক্রবার, শনিবারের চেয়ে রবিবার সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ রয়েছে আরো বেশি। যাত্রীদের বেশির ভাগই ঢাকাগামী। আর যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন প্রবনতাও নেই। গত দুইদিনের চেয়ে ফেরিও বাড়ীয়ে ৭টি ফেরি চলাচল করছে। অন্যদিকে বাড়তি ভাড়া নিয়ে ঘাট এলাকায় হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেও মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড় দেখা গেছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও গত দুইদিনের চেয়ে রবিবার সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সাধারণত ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনা ভাইরাসের চলমান লকডাউনে চলাচল করছে মাত্র ৭টি ফেরি।

সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এছাড়া যাত্রীদেরও চাপ বাড়তে থাকে ফেরিঘাটে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে করে পারাপার হচ্ছেন। অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপের কারনে উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি। দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহনে বাড়তি ভাড়া দিয়ে ঘাটে আসছেন যাত্রীরা। অটো, মোটরসাইকেল, মাহিন্দ্র, মাইক্রোবাসে ভাড়তি ভাড়া নিয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে ফেরি ঘাট এলাকায়।

ঢাকায় কার্মস্থলে পৌছাতে হায়দার আলী বলেন, গতকাল রওনা দেয়ার ইচ্ছা ছিল, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি অনেক ভিড়ের কারণে যেতে বেশী কষ্ট হবে তাই অফিস থেকে আরও একদিন ছুটি নিয়ে আজ সকালে রওনা দিয়েছি কিন্তু আজ দেখি প্রচুর ভিড়। কি করবো যেতেই হবে। তাই যাচ্ছি।!

ঢাকাগামী এক পরিবারের কর্তা রওশাদ আলী জানান, লকডাউনের কথা শুনে ভেবেছিলাম ঈদ করে ঢাকা ফিরবো কিন্ত শুনলাম লকডাউন থাকবে না। তাই পরিবারসহ আবার ঢাকা ফিরছি।

মাদারীপুর বাংলাবাজার ফেরি ঘাট ম্যানেজার সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, গতকালের চেয়ে দুটি ফেরি বাড়ানো হয়েছে’ ফেরি দিয়ে জরুরী সেবা প্রদানকারী যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক, কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ী অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

এদিকে ইজিবাইক, সিএনজি, মোটর সাইকেলযোগে বাড়তি ভাড়া দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল থেকে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। পরে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন তারা।’

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন