• আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ১৩ মে, ২০২১ ৷

বুধবার থেকে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি বন্ধ

food
❏ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৭, ২০২১ রাজশাহী

সময়ের কণ্ঠস্বর, রাজশাহী- রাজশাহীতে এখন থেকে আর কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করা যাবে না। বুধবার (২৮ এপ্রিল) থেকে খুচরা কিংবা পাইকারি বাজারে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) শালবাগান, ভদ্রা, তালাইমারী, বিনোদপুরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার তরমুজের আড়তগুলো পরিদর্শনে গিয়ে এমনটিই জানিয়ে এসেছেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার ও কৌশিক আহমেদ।

যারা ছিলেন তাদের সঙ্গে তরমুজের দাম নিয়ে কথা বলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ওই সময় জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়, বুধবার (২৮ এপ্রিল) থেকে কেজি নয়, তরমুজ বিক্রি করতে হবে পিস হিসেবেই। যাতে ক্রেতারা দাম করার সুযোগ পান। ফলে দাম কমে আসবে।

কিন্তু তাতে আপত্তি জানান অধিকাংশ আড়ৎদার। তাদের ভাষ্য, ‘কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করলেই দাম কমবে, এমনটি সঠিক নয়। কেজি দরে বিক্রি করলেই বরং ধীরে ধীরে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।’ তবে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এদিকে, দুই সপ্তাহ ধরেই রাজশাহীর বাজারে তরমুজের দাম বেশ চড়া। ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। মূলত রাজশাহী ও এর আশপাশে তরমুজ উৎপাদন কম হওয়ায় তরমুজ আসছে বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, খুলনাসহ দক্ষিনাঞ্চল থেকে। ফলে তরমজের স্থানীয় বাজার পাইকারি বিক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণে।

বাজারে এবার তরমুজের দাম বেশি হওয়ায় তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এই গরমে মন চাইলেও অনেকে তরমুজ ছুঁয়ে দেখতে পারছেন না। সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, চাহিদা থাকায় সিণ্ডিকেট করে তরমুজের দাম বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়েছে।

এমন অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বাজারে নামেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার ও কৌশিক আহমেদ। তাদের সঙ্গে জেলা মার্কেটিং কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনও ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো বিক্রেতা তরমুজ কেনার চালান দেখাতে পারেননি। চালান পেলে বোঝা যেত, তারা কত টাকা কেজি দরে তরমুজ কিনেছেন। তাহলে তার সঙ্গে একটা যুক্তসংগত মুনাফা যোগ করে দর বেঁধে দেওয়া যেত। তাদের জানামতে, এই ব্যবসায়ীরা পিস হিসেবে তরমুজ কিনে এনে কেজি দরে বিক্রি করছেন। এ জন্য তাদের পিস হিসেবে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ক্রেতারা দরদাম করে তরমুজ কেনার সুযোগ পাবেন।