🕓 সংবাদ শিরোনাম

পাবনার চাটমোহরে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মৃত্যুআশুলিয়ায় মহাসড়ক থেকে শ্রমিকদের সরাতে পুলিশের টিয়ার শেল-জলকামান, নিহত ১দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে গুলি করে একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যানেতানিয়াহুর জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ড অপেক্ষা করছে: আইনজীবীদক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ১৯ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩শায়েস্তাগঞ্জে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুটিকার ঘাটতি দূর না হলে সামনে বিপদ: জাতিসংঘ মহাসচিববেইজ্জতিতে পড়েছে বিসিবি, ভয়ে ফোন ধরছেন না পাপনএবার ৬০ হাজার সৌদি নাগরিক ও প্রবাসী নিয়ে হজ পালনের ঘোষণাটাঙ্গাইলে করোনায় তিনজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৩ জন

  • আজ রবিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৩ জুন, ২০২১ ৷

অবাধ শপিংয়ের প্রভাব ১৬ মের পর দেখতে পারব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

jahid
❏ বৃহস্পতিবার, মে ৬, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঈদকে কেন্দ্র করে দোকানপাট-শপিংমলগুলো থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবারও বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, শপিংমল দোকানপাটগুলোতে যেভাবে ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়েছে। এতে বলা যায়, দেশে সংক্রমণ আবারও বাড়বে। যার প্রভাব আমরা ১৬ মের পরে দেখতে পারবো।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) আয়োজিত ‘কোভিড-১৯ দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় করণীয় এবং অক্সিজেন সংকট ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটা ঈদে কিছু জামাকাপড় না কিনলে কি হলো? কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে এভাবে কেনাকাটার কারণে ঈদের আনন্দটা যদি আনন্দ একটা ট্র্যাজেডিতে রূপ নেয়, তাহলে বিষয়টা কেমন হবে? এতে করে শুধু ওই ব্যক্তিই নয়, তার পরিবারকেও ভয়ঙ্কর বিপদে ফেলে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার বাধ্য হয়ে মার্কেট খুলে দিয়েছে, কিন্তু যাওয়া না যাওয়া তো আমাদের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি না যাই তাহলেই তো হয়। এই জিনিসগুলো আমাদের নিজেদের ওপর নির্ভর করে সবকিছু সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। কিন্তু আমরা দেখছি, যেভাবে মহিলারা মার্কেটে যাচ্ছে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে, এতে বিপদ অবশ্যই বাড়বে।

তারপরও আমরা খুলে দিয়েছি, আমরা বলে দিয়েছি মার্কেটে মাস্ক ছাড়া কেউ ঢুকবে না। ঢুকলে জরিমানা করা হবে। তবুও এ কাজগুলোকে কেউ করছে না, কেউই মানছে না। আল্লাহ না করুক, আমাদের জন্য যেন বড় কোনো বিপদ না আসে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত এক বছর ধরে আমরা করোনা মোকাবেলা করে আসছি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করে আসছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এখনও কিছু সংক্রমণ ও মৃত্যু হার কমে আসছে।

‘৪ হাজার চিকিৎসককে টেলিমেডিসিন সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। তারা এখনও দিয়ে যাচ্ছেন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নো মাস্ক ও নো সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটার মাধ্যমেও সংক্রমণ অনেক কমে আসছে।’

ভারত থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের করোনা সংক্রমণ বাড়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের সর্তক হতে হবে।

‘ভারতেও করোনা নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে তারা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে করোনার মধ্যে নির্বাচন, হোলি খেলা, বিয়ে অনুষ্ঠান করেছে।’

তিনি বলেন, ‘তারা সঠিক সময়ে টিকা নিশ্চিত করতে পারেনি যে কারণে সংক্রমণ বেড়েছে। এ থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত।’

সভায় আরও অংশ নেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসচিব আলী নূর, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরফুদ্দিন আহমেদ।