🕓 সংবাদ শিরোনাম

যেকোনো সময় সারা দেশে ‘শাটডাউন’ ঘোষণা : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীসারা দেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনের’ সুপারিশশাহজাদপুরে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে আদিবাসী নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগব্র্যাক-এশিয়ার পর ঢাকা ব্যাংক থেকেও নিষিদ্ধ ইভ্যালি!বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা একদিনে সব রেকর্ড ভেঙেছেসন্ধ্যা হলেই সৌর বিদ্যুতে আলোকিত হবে মির্জাপুর পৌরসভা২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ছাড়াল ৬ হাজার, মৃত্যু ৮১ জনেরচুয়াডাঙ্গায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কাদেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রীসিনহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আত্মসমর্পন

  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

গাদাগাদি করে ঈদযাত্রা সুইসাইডের শামিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

jahid malek
❏ সোমবার, মে ১০, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- করোনা মহামারি ঠেকাতে সরকারের দেয়া লকডাউন উপেক্ষা করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যারা ঈদে বাড়ি ফিরছেন, তারা সবাই আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে প্রতিদিন হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছে। আর আমাদের জনগণ স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে ঈদ পালন করতে বাড়ি যাচ্ছে।

সোমবার (১০ মে) দুপুরে ‘ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় করণীয়’ বিষয়াদি নিয়ে দেশের চারটি সীমান্ত এলাকার বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ লকডাউনের সামান্য শিথিলতার সুযোগ নিয়ে দলবেঁধে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধির কোনোরকম তোয়াক্কা না করে যেভাবে ফেরি পারাপারসহ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করছে, তা একেবারে সুইসাইডের সিদ্ধান্তের সামিল।

তিনি বলেন, ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্টটি এখন নেপালে ছড়িয়ে গিয়ে সেখানে ভয়াবহতা সৃষ্টি করেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট এখন আমাদের দেশেও চলে এসেছে। এরকম ক্রিটিক্যাল সময়ে এই ভাইরাস দেহে নিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যদি গ্রামে চলে যায়, তাহলে গ্রামে থাকা পরিবার পরিজনসহ গ্রামবাসী গণহারে আক্রান্ত হতে পারে।

জাহিদ মালেক বলেন, শহরাঞ্চলেও মানুষ এখন বেপরোয়া চলাফেরা করছে। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় বিভাগীয় শহরে শপিংমলসহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে মানুষ চলাফেরা করছে। এভাবে চলতে দিলে ঈদের পর দেশে ভারত, নেপালের মতো ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে প্রতিটি সীমান্ত এলাকার দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে কাজ করতে হবে। বর্ডার এলাকার ভারত যাতায়াতকারী ব্যক্তির পরিবারহ সব মানুষকে দ্রুত ও বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে।

বর্ডার এলাকার কোনো যানবাহন নিজ জেলার বাইরে মুভমেন্ট যেন করতে না পারে সে ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যোগ করেন তিনি।

ভার্চুয়াল এ বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ১৫ দিন সীমান্ত এলাকায় কতজন মানুষ ভারতে যাতায়াত করেছে, তার তালিকা জানতে চান। এছাড়া মন্ত্রী বর্ডার এলাকায় ব্যাপক হারে কোভিড পরীক্ষা চালানোর নির্দেশনা দেন। ভারত যাতায়াতকারীদের পরিবারের সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশনা দেন।

ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রংপুর, সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, বিভাগগুলোর সীমান্তের জেলার ডিসি, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন প্রমুখ।