মির্জাপুরে নামাজে ইকামত দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের হামলা

mosq
❏ বুধবার, মে ১২, ২০২১ ঢাকা

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ওয়াজ মাহফিলের পোস্টারের নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর দু’পক্ষের সঙ্গে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, ওই এলাকায় প্রতিবছরই ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এবছরও আয়োজনের দাওয়াতপত্রে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পোস্টারে নাম দেয়া হয়। কিন্তু পোস্টারে কয়েকজনের নাম বাদ পড়ায় মাহফিলের বিরোধিতা করেন এবং মাহফিল পূর্বসময়ে রাতের আঁধারে ব্যানার, পোস্টার ছিড়ে ফেলারও ঘটনা ঘটে।

এদিকে রমযানের প্রথম তারাবির নামাজে মসজিদ কমিটির সভাপতির মাদ্রাসা পড়ুয়া ১২ বছরের ছেলে নামাজের একামদ দেয়। তার বাবা মসজিদ কমিটির সভাপতি হওয়ায় মাহফিলে বিরোধিতা করা বেশ কয়েকজন তার একামদ দেয়া নিয়ে মসজিদের ভিতরেই বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন।

এসময় এলাকার আলমাস ও মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. মোশারফ হোসেনের সাথে বাকবিতন্ডা ও পর্যায়ক্রমে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে এরপর থেকেই এলাকায় আরও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, মসজিদে বাকবিতন্ডা হওয়ার পর থেকেই আমাকে নানাভাবে হত্যার হুমকি দিতে থাকে এলাকার আলমাস পক্ষের সাইফুল, সালাম, সেলিম। পরবর্তীতে নিরাপত্তাহীনতায় থাকায় মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন।

উক্ত ঘটনার জেরেই মঙ্গলবার দুপুরে সবুজ, সানি ও জাহিদুল মোটরসাইকেলযোগে লতিফপুর বাজারে গেলে সেখানে সাইফুল ও জাকির নামের দুই ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সানিকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাড়া করে বলে অভিযোগ তোলেন সানির বাবা সামাদ সিকদার। তিনি জানান, সেখান থেকে তারা পার্শ্ববর্তী বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয়।

এদিকে আলমাস অভিযোগ তোলেন, এলাকার একাধিক ব্যক্তি আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘরে থাকা আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছে।

মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।