• আজ সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৪ জুন, ২০২১ ৷

ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

michil
❏ শুক্রবার, মে ১৪, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে সবশেষ ঈদ জামাত শেষে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (১৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে পল্টন মোড় দিয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে ইউটার্ন নিয়ে পুনরায় বায়তুল মোকাররমে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে নেতাকর্মীরা ইসরাইলি আগ্রাসন প্রতিরোধে জাতিসংঘের কাছে জবাব চেয়েছেন। অবিলম্বে জাতিসংঘকে ইসরাইলি হামলা বন্ধে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা। মসজিদুল আকসায় নামাজরত মুসলমানদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়ে প্রাণহানি ঘটানো হচ্ছে। এসব বন্ধে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নেতা কর্মীরা।

বিক্ষোভ সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেন, ইসরায়েল ন্যাক্কারজনকভাবে ফিলিস্তিনের নামাজরত মানুষের ওপর হামলা করেছে। এমন বর্বর হামলার পরেও বিশ্ব সম্প্রদায় চুপ হয়ে আছে। জাতিসংঘও কিছু বলছে না।

তিনি বলেন, এই বর্বরতার অবসান হওয়া দরকার। ইসরায়েল তাদের সম্প্রসারণ নীতি দিয়ে গাজা উপত্যকায় বসতি গড়ে তোলে। প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর তারা তাদের দখল কায়েম করছে। ইসরায়েলের দখলদার নীতি অব্যাহত থাকলেও এ বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় কিছুই বলছে না।

ইসলামী আন্দোলনের ঢাকা উত্তরের সভাপতি ফজলে বারী মাসুদ বলেন, ইসরায়েল অভিশপ্ত জাতি। তাদের এ উগ্রবাদী আচরণ নতুন নয়। তারা ইসলামের অনেক নবীকেও হত্যা করতে কুণ্ঠাবোধ করেনি।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম-মহাসচিব কাজী আতাউর রহমান বলেন, ‌‘ওই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। এর জন্য ১৪ মে ঈদের দিন বেছে নেয়া হয়েছে। কারণ ৭৩ বছর আগে ওই রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা করেছে। ফিলিস্তিনরা যেমন প্রতি বছর এ দিনটা কালো দিবস হিসেবে পালন করে। এখন থেকে ইসলামী আন্দোলনও প্রতি বছর দিনটিকে কালো দিবস পালন করবে।

ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, এ আন্দোলনে আমরা জান দেব, মাল দেব। বাংলাদেশ সরকারকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্বচ্ছ অবস্থান নেয়ার আহবান জানাই। সময় এসেছে মুসলমানদের একত্রিত হওয়ার। ইসলামকে রক্ষা করতে প্রয়োজনে প্রাণ দিতে প্রস্তুত হতে হবে।

তারা বলেন, মুসলিম জাতি এক শরীর। কোথাও আঘাত করলে সবার প্রাণে আঘাত লাগে। আমাদের প্রাণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এজন্য ঈদের দিন আমারা বাধ্য হয়ে সমবেত হয়েছি। আমরা সমগ্র বিশের মুসলমানরা এক হয়ে ইসরাইলকে বিচ্ছিন্ন করে দেব, ইনশাআল্লাহ।

বিক্ষোভ ঘিরে যেকোনো ধরনের সহিংসতা অথবা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে।