🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে আমিরাতে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সভা

Arab amirat news
❏ বুধবার, মে ১৯, ২০২১ আন্তর্জাতিক

মতিউর রহমান মুন্না, আরব আমিরাত থেকে:   সচিবালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও দীর্ঘ সময় আটকে রেখে সাজানো মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার ( ১৮ মে) দুপুরে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সভা করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএই।

জুম অ্যাপসের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভার সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোরশেদ আলম ও পরিচালনা করেন যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হাসান জনি। সভায় বক্তারা অবিলম্বে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। এ ছাড়া রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান করেন।

অনলাইন প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন- সহ যুগ্ম সম্পাদক সনজিত কুমার শীল, সহ- সম্পাদক মুহাম্মদ মোদাচ্ছের শাহ, সহ-সম্পাদক আবদুল আলীম সাইফুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসমাইল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার উদ্দিন রনি, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ শাহজাহান।

বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সেই দুর্নীতির খবর প্রকাশ করে সাংবাদিক রোজিনা এ দেশের জনগণের উপকার করেছেন। সচিবালয়ের মতো একটি জায়গায় একজন সাংবাদিকের সঙ্গে এমন ব্যবহারের কারণে এ দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই চিত্রই দেখা যাচ্ছে। রোজিনার মুক্তির দাবি শুধু সাংবাদিকদের দাবি নয়, গণমানুষের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারা আরও বলেন, বর্তমানে সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকরা অধিকতর ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। জনগণের স্বার্থে সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে নানাভাবে মামলা-হামলার শিকার হচ্ছেন। সুস্থ সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হলে তা রাষ্ট্রের জন্যই ক্ষতি। পাশাপাশি একজন সিনিয়র সাংবাদিককে মুক্তি না দিয়ে কারাগারে পাঠানো এবং পুলিশের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা সাংবাদিকদের মর্মাহত করেছে।

প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দরা বলেন, সাংবাদিকরা আয়ের টাকায় পরিবার নিয়ে সচ্ছলভাবে চলতে পারি না। অথচ সচিবালয়ে চাকরি করে তারা হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যান। তাদের আয়ের উৎস নিয়ে সরকারিভাবে তদন্ত করা উচিত। প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স আত্মসাৎ করে এসব সম্পদের মালিক হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। এ ছাড়া পেশাগত দায়িত্বপালনে সব সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচি দেওয়া হবে।