🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইভ্যালিসহ দেশের ই-কমার্সে আরেকটা ‘ডেসটিনি চিত্র’র শঙ্কা রাব্বানীরসুবর্ণচরে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণ, জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধনটাঙ্গাইলে চুরিকৃত স্বর্ণালঙ্কারসহ আসামি আটকনোয়াখালীতে ২৪ ঘন্টায় ১১৫ জনের দেহে করোনা, শনাক্তের হার ২৮.৬ শতাংশসৌদিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করলে ১৫ বছরের জেল ও জরিমানার ঘোষণামাদারীপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত শ্রমিকলীগ সভাপতির মৃত্যুভয়ংকর হচ্ছে খুলনা বিভাগ, একদিনেই রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যুটাঙ্গাইলে নতুন করে ১৪৯ জন করোনায় আক্রান্ত, ৩ জনের মৃত্যুইভ্যালিসহ ১০ ই-কমার্সে কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা দিলো ব্র্যাক ব্যাংকনওমুসলিম ওমর ফারুক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন-সংবাদ সম্মেলন, ৬ দফা দাবি

  • আজ বুধবার, ৯ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৩ জুন, ২০২১ ৷

ঈদের পর দেশে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু আবার ঊর্ধ্বমুখী

corona
❏ বৃহস্পতিবার, মে ২০, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী। গত ১২ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে গতকাল বুধবার। এর মধ্যে পাঁচ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবেই বেড়ে চলছে শনাক্ত।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেওয়া তথ্য অনুসারে, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৬০৮ জন। এর আগে সর্বশেষ গত ৮ মে শনাক্ত ছিল এক হাজার ৬৮২ জন। মাঝে প্রতিদিনই ছিল এর চেয়ে কম। এমনকি ঈদের দিন শনাক্ত নেমে যায় মাত্র ২৬১ জনে। এরপর যথাক্রমে ৩৬৩, ৬৯৮ ও এক হাজার ২৭৫ জনে ছিল শনাক্ত। অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণ হারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে শনাক্ত।

অন্যদিকে মৃত্যু গত ছয় দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৭ জনে উঠেছে গতকাল। এর আগে গত ১২ মে ছিল ৪০ জন। পরের প্রতিদিন তা কমে এক পর্যায়ে ১৫ মে তা ২২ জনে নেমেছিল। কিন্তু পরে তা যথাক্রমে ২৫, ৩২ ও ৩০ জনে ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে পরীক্ষাও বেড়েছে। মাঝে কয়েক দিন পরীক্ষা অনেক নিচে নেমে গেলেও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৫২৮টি নমুনার। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৭.৮৩ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। চলতি বছরের মার্চ থেকে দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ৫ এপ্রিল থেকে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। কিছুটা শিথিল হলেও সে লকডাউন এখনো চলছে। লকডাউনের প্রভাবে এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ নিম্নমুখী হতে শুরু করে। তবে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিধিনিষেধ ঢিলেঢালা হয়ে পড়ে। ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটা ও যাতায়াতে বিপুল লোকসমাগম দেখে জনস্বাস্থ্যবিদেরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশঙ্কা করেছিল, ঈদের পর সংক্রমণ আবার বেড়ে যাবে।

শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৩৭ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এর মধ্যে ৭ লাখ ২৬ হাজার ১৩২ জন সুস্থ হয়েছেন। আর মারা গেছেন ১২ হাজার ২৪৮ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় গতকাল পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনে অধিদপ্তরের অন্যতম মুখপাত্র রোবেদ আমিন বলেন, চলমান লকডাউন কিছুটা ফলপ্রসূ হয়েছে বলেই সংক্রমণ নিম্নমুখী হয়েছে। কিন্তু এটা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (করোনার রূপান্তরিত ধরন) দেশে চলে এসেছে এবং কিছুটা চোখ রাঙাচ্ছে। যেকোনো সময় পূর্ণ সংক্রমণ শুরু হতে পারে। এ জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে না চললে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে। অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে এই ভ্যারিয়েন্টের ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা বেশি।