রোববার ‘মুজিব কিল্লা’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

kella
❏ শনিবার, মে ২২, ২০২১ বরিশাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী- আধুনিকায়ন হচ্ছে সত্তুরের দশকে নির্মিত পটুয়াখালীর প্রায় অর্ধশতাধিক মুজিব কিল্লা। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে র্নিমাণ সম্পন্ন দুটি এবং প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ বাস্তবায়নাধীন ৫টি মুজিব কিল্লা রবিবারে (২৩মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময়ে প্রধানমন্ত্রী জেলার ১৩টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রসহ অন্যান্য স্থাপনার কাজ উদ্ভোধন করবেন।

উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সত্তুরের দশকে র্নিমাণ করা হয় অর্ধশতাধিক মাটির মুজিব কিল্লা। নির্মাণের পর থেকে সংস্কারসহ রক্ষণাবেক্ষণনে না থাকায় বিলিন প্রায় এসব কিল্লা রক্ষায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ’মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় শুরু করে আধুনিকায়নের কাজ।

জেলার কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের নেওয়াপাড়া, টিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব টিয়াখালী, পূর্ব বাদুরতলি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের তাহেরপুর, গৈয়াতলা, মহিপুর ইউনিয়নের সেরাজপুর, বালিয়াতলি ইউনিয়নের ছোট বালিয়াতলি গ্রামে এসব কিল্লা নির্মান হচ্ছে। প্রতিটি কিল্লা আধুনিকায়নে র্নিমাণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৯২ লাখ ৭২ হাজার ৮৫৬ টাকা।

সাধারণ কৃষি জমির চেয়ে প্রায় ১১ফুট উঁচুতে র্নিমিত প্রতিটি কিল্লার আয়তন ৮ হাজার বর্গমিটার। দূর্যোগকালীন সময়ে কিল্লায় নির্মিত নতুন ভবনের প্রথম ফ্লোর ও ছাদে অন্তত: ৫০০ পরিবার একত্রে আশ্রয় নিতে পারবে। এছাড়াও গবাদিপশুর জন্য ৫৫৮ বর্গমিটারের শেডসহ থাকছে ওয়াশ রুম, সুপেয় পানি, বিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ সুবিধা। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাসহ খেলার মাঠ ও হাট বাজার হিসেবে ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

প্রসঙ্গত: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর দেশের ঘূর্ণিঝড় প্রবণ ১৬টি জেলার ৬৪টি উপজেলায় এবং বন্যা প্রবণ ও নদী ভাঙ্গন ২২টি জেলার ৮৪টি উপজেলায় ১ হাজার ৯শ’ ৫৭ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। জুলাই ২০১৮ সালে শুরু এসব প্রকল্পের কাজ ডিসেম্বর ২০২১ সালে বাস্তবায়ন কাল নির্ধারণ করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পর্যায়ক্রমে জেলার ৫২টি মুজিব কিল্লা আধুনিকায়ন করা হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাবে উপকুলীয় মানুষের জীবন ও সম্পদ।