🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ

Mymensing news
❏ বৃহস্পতিবার, মে ২৭, ২০২১ ময়মনসিংহ

কামরুজ্জামান মিন্টু, স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও অবৈধ গর্ভপাত ঘটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ওই চেয়ারম্যান ও তার ভাইসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন কিশোরীর বাবা।

মামলার আসামিরা হলেন- উপজেলার ৯ নম্বর উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (৪৮), তার বড় ভাই উচাখিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু (৫২), নিহতের মা আছমা খাতুন (৪০), দুলাল মিয়া (৪০) ও মাহাবুবুল আলম (৪০)।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকালে এ মামলা দায়েরের বিষয়টি সময়ের কন্ঠস্বরকে নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ জেলা ও জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন।

তিনি বলেন, রবিবার (২৩ মে) কিশোরীর বাবা স্বপন মিয়া ময়মনসিংহের নারী ও শিশু আদালতে অভিযোগ দিলে বিচারক পরদিন সোমবার অভিযোগটি মামলা হিসেবে গণ্য করার জন্য ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। কিশোরীর বাবা অভিযোগে বিবাদীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনেছেন এবং ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেছেন তিনি।

অভিযোগের বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান শফিক কিশোরীর মায়ের মৌন সম্মতিতে মিথ্যা বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। বিবাদীরা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কিশোরীকে কবিরাজি ওষুধ দিয়ে গর্ভপাতের চেষ্টা করেন। এতে কিশোরী অসুস্থ হলে গত ৯ মে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় নিতে বলেন। কিন্তু তাকে ঢাকায় না নিয়ে বাড়িতে রাখা হয়। এতে কিশোরীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আরও অসুস্থ হয়। ১১ মে ঢাকায় ন্যাশনাল নিউরো সাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১২ মে রাত ২ টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই কিশোরী।

এ বিষয়ে উপজেলার ৯ নম্বর উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ওই মেয়েটি ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।