🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

সাত বছরের মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার


❏ শুক্রবার, মে ২৮, ২০২১ রংপুর

ফয়সাল শামীম, স্টাফ রিপোর্টার: সাত বছরের কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টা অভিযোগে কুড়িগ্রামের কচাকাটায় সৎ পিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে নিগৃহীতের শিকার ওই মেয়েকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছে কচাকাটা থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মেয়ের মা বাদি হয়ে কচাকাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে, (২৭মে বৃহস্পতিবার) ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পরশু রামেরকুটি গ্রামের মিলনিবাজার এলাকায়।

মামলার এজাহার সূত্র জানা যায়, পরশুরামেরকুটি শাহিবাজার গ্রামের মৃত মোহাম্মদ শেখের ছেলে গ্রেপ্তারকৃত চাঁনমিয়া কবিরাজের (৪৯) দ্বিতীয় স্ত্রী সোনাহাট স্থল বন্দরে পাথর ভাঙ্গা শ্রমিকের কাজ করেন। তার আগের পরে একটি সাত বছরের মেয়ে রয়েছে। মেয়েকে নিয়ে ওই স্ত্রী পরশুরামেরকুটি গ্রামের মিলনি বাজার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।

মাঝে মধ্যে চাঁনমিয়া ওই বাসায় স্ত্রী এবং সৎ মেয়েসহ একই বিছানায় রাত্রী যাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ মে বুধবার দিবাগত রাতে এক বিছানায় ঘুমান তিনজনই। গতকাল ২৭মে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে স্ত্রী বিছানা ছেড়ে রান্না করতে গেলে সৎ মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে অভিযুক্ত চাঁনমিয়া।

পরে মেয়ে সকালে এই অনৈতিক কাজের বিষয়টি মায়ের কাছে খুলে বলে। বেশ কিছুদিন থেকে সৎ বাবা এরকম আচরণ করে আসছে বলেও মায়ের কাছে অভিযোগ করে মেয়েটি। পরে বৃহস্পতিবার রাতেই স্বামীকে আসামী করে কচাকাটায় থানায় একটি মামলা দায়ের করে মেয়ের মা এবং অভিযুক্তর দ্বিতীয় স্ত্রী। রাতেই অভিযুক্ত চাঁনমিয়াকে গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে কচাকাটা থানার পুলিশ।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এ.এস.এম সায়েম বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ডাক্তারী পরিার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কচাকাটা থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, গ্রেফতারকৃত চাঁনমিয়াকে শুক্রবার সকালে আদালত প্রেরণ করা হয়েছে। যেহেতু ধর্ষণ চেষ্টা সেেেত্র ভিকটিমের ডাক্তারী পরিার প্রয়োজন নেই। তাকে মায়ের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।