🕓 সংবাদ শিরোনাম

যেকোনো সময় সারা দেশে ‘শাটডাউন’ ঘোষণা : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীসারা দেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনের’ সুপারিশশাহজাদপুরে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে আদিবাসী নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগব্র্যাক-এশিয়ার পর ঢাকা ব্যাংক থেকেও নিষিদ্ধ ইভ্যালি!বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা একদিনে সব রেকর্ড ভেঙেছেসন্ধ্যা হলেই সৌর বিদ্যুতে আলোকিত হবে মির্জাপুর পৌরসভা২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ছাড়াল ৬ হাজার, মৃত্যু ৮১ জনেরচুয়াডাঙ্গায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কাদেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রীসিনহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আত্মসমর্পন

  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

HILI PIC-1
❏ শুক্রবার, মে ২৮, ২০২১ রংপুর

আব্দুল আজিজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি: মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিনাথপুর গ্রামের শামসুল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। টাকা ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রহিম বাদশার নিকট সুষ্ঠু বিচারের জন্য অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগীরা হলেন, উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ভেবটগাড়ীর আশ্রয়ন গ্রামের সাবিনা টুডু, হরিদাস পাহান, পাউলিয়া মার্ডি, পাউলিয়া কিসকু, রাসু রানী, প্রদীপ টুডু, বিশ্বনাথ টুডু এবং মিনতি পাহান।

ভুক্তভোগীরা জানান, পরিবারের সদস্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে তারা খুব কষ্টে বসবাস করছিলো। এমতাবস্থায় তাদের এলাকার হরিনাথপুর গ্রামের শামসুল সরকারি ঘর দিবেন এবং তশিলদারকে কিছু টাকা দিতে হবে এমন আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। পরে তশিলদারের মাধ্যমে জানতে পারে তাদের নামে কোন সরকারি ঘর বরাদ্দ হয়নি। তখন তারা শামসুলের নিকট থেকে টাকা ফেরত চাইলে সে নানা তালবাহানা দেখায়। এক পর্যায়ে (২৫ মে) ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা ফিরিয়ে দেয়। তবে অসহায় গরীব পরিবারগুলো ঘর না পাওয়াই তাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযুক্ত শামসুল জানান, গরীব পরিবারগুলোর কাছ থেকে টাকা নেওয়াটা তার ভুল হয়েছে। তিনি ইতিমধ্যে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন। অল্পদিনের মধ্যে তাদের সব টাকা ফিরিয়ে দিবেন। ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রহিম বাদশার সাথে তার কোন আর্থিক বিষয়ে লেনদেন হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান চেয়ারম্যানের সাথে তার তেমন কোন সম্পর্ক নেই এবং আর্থিক কোন লেনদেন হয়নি।

এদিকে ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রহিম বাদশা জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপহারের সরকারি ঘর পেতে কোন টাকা পয়সা লাগেনা। আজ পর্যন্ত কোন ঘরের জন্য একটি টাকাও তিনি নেননি। তবে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি আমার কর্মী পরিচয় দিয়ে শামসুল নামে এক ব্যক্তি সরকারি ঘর দেওয়ার নাম করে কয়েক জনের নিকট থেকে কিছু টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এমন একটি নিউজ প্রচার হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে শামসুল আমার কোন কর্মী নয়। এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করার কারনে তার মানমর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। সত্য বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধও করেন তিনি।