🕓 সংবাদ শিরোনাম

যেকোনো সময় সারা দেশে ‘শাটডাউন’ ঘোষণা : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীসারা দেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনের’ সুপারিশশাহজাদপুরে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে আদিবাসী নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগব্র্যাক-এশিয়ার পর ঢাকা ব্যাংক থেকেও নিষিদ্ধ ইভ্যালি!বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা একদিনে সব রেকর্ড ভেঙেছেসন্ধ্যা হলেই সৌর বিদ্যুতে আলোকিত হবে মির্জাপুর পৌরসভা২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ছাড়াল ৬ হাজার, মৃত্যু ৮১ জনেরচুয়াডাঙ্গায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কাদেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রীসিনহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আত্মসমর্পন

  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

রাজধানীতে নারী চিকিৎসকের রক্তাক্ত মরদেহ, গলায়-পিঠে আঘাতের চিহ্ন

doctor
❏ সোমবার, মে ৩১, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপির (৪৭) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের পিঠে দুটি ও গলায় একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা এটি হত্যাকাণ্ড।

সোমবার (৩১ মে) দুপুরে কলাবাগানের ৫০/১ ফার্স্ট লেন ভবনের নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন।

ডিবি পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আজিমুল হক বলেন, নিহত সাবিরার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পিঠেও দুটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে না।

ডিসি আজিমুল হক বলেন, ডা. সাবিরা কলাবাগানের ৫০/১ ফার্স্ট লেনের বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। তিনি ফ্ল্যাটের দুটি রুম এক তরুণীকে সাবলেট হিসেবে ভাড়া দেন। সকালে সাবলেটে থাকা তরুণী হাঁটতে বের হয়েছিলেন। হেঁটে আসার পর তিনি বাসায় ফিরে দেখেন চিকিৎসক সাবিরার রুম বন্ধ। রুমের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে তিনি দারোয়ানকে ডেকে চাবি এনে রুমের তালা খুলে দেখতে পান চিকিৎসক সাবিরা ফ্লোরে পড়ে আছেন। সবাই ভেবেছিলেন চিকিৎসক আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। পরে ডিবি এসে তার গলায় একটি আঘাতের চিহ্ন ও পিঠে দুটি আঘাতের চিহ্ন পায়। আমরা তদন্ত করছি। আশা করছি দ্রুত রহস্য উদঘাটন করব।

বাড়ির মালিক মাহবুব ইসলাম বলেন, সাবলেট দেয়ার বিষয়টি আমি জানতাম না। মরদেহ উদ্ধারের পর জানতে পারি বাকি দুটি কক্ষ তিনি অন্যজনের কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন।