• আজ বুধবার, ৯ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৩ জুন, ২০২১ ৷

মাসে ২০ হাজার টাকা সম্মানী পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, জুলাই থেকেই কার্যকর

PM-Sheikh-Hasina-
❏ বুধবার, জুন ২, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা ৮ হাজার টাকা বাড়াচ্ছে। ফলে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে। তা আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। এ জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৫ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা।

সম্মানী ভাতার পাশাপাশি সাধারণ, শহীদ ও যুদ্ধাহত এবং খেতাবপ্রাপ্ত—এই তিন শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েক ধরনের ভাতা ও সম্মানী দেওয়া হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এক লাখ ৯১ হাজার ৫৩২ জন সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসিক সম্মানী ভাতা পেয়ে থাকেন। আর উৎসব ভাতা, মহান বিজয় দিবস ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা পান দুই লাখ পাঁচ হাজার ১১৭ জন সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা।

এছাড়া সম্মানী ভাতা পান ১১ হাজার ৯৯৮ জন শহীদ, যুদ্ধাহত ও অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধা। মাসিক সম্মানী ভাতা পাওয়ার মধ্যে আরও রয়েছেন ৫৮৭ জন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে এজন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে পাঁচ হাজার ৭০৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০২০–২১ অর্থবছরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল তিন হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বাবদ তিন হাজার ৩০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ১২ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওইদিন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত মোবাইলের অ্যাকাউন্টে সরাসরি সম্মানী ভাতা পাঠানোর কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা বীর মুক্তিযোদ্ধারা তার সরকারের সময় অবহেলায় থাকতে পারেন না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ১২ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তবে আমি মনে করি, এই সময় ১২ হাজার টাকা কিছুই নয়। একে আমরা ২০ হাজার টাকা করে দেব। এটা করতে একটু সময় নেব। কারণ, বাজেটে টাকা বরাদ্দসহ সবকিছুর ব্যবস্থা করতে একটু সময় লাগবে। তবে এটা আমরা করে দেব।’

শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের এখন আর কারও জন্য অপেক্ষা করতে হবে না, কারও কাছে ধরনা দিতে হবে না। সরকার থেকে জনগণ, অর্থাৎ জি টু পির মাধ্যমে সরাসরি টাকা পৌঁছে যাবে।