🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১০ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৪ জুন, ২০২১ ৷

মন্ত্রীর ফোন ছিনতাই হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা?

mojammel
❏ বুধবার, জুন ২, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রসঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়ক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মন্ত্রীরটা নেওয়ার সাহস পেলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা? নিঃসন্দেহে এটি উদ্বেগের কথা। তবে এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়।

বুধবার (২ জুন) সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ষষ্ঠ সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা বলেন।

গত রোববার সন্ধ্যায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে যাওয়ার পথে বিজয় সরণিতে মোবাইল খোয়ান পরিকল্পনামন্ত্রী। এক ছিনতাইকারী গাড়ির খোলা জানালা দিয়ে মন্ত্রীর হাত থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয়। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় একটি মামলাও করা হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা পরিকল্পনামন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা তুলে ধরে কমিটির সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

উত্তরে মোজাম্মেল হক বলেন, “বৈঠকে অনেক অপরাধের কথা আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রীর কাছ থেকে বা কোনো নাগরিকের কাছ থেকে এভাবে মোবাইল নেওয়া বা দুর্বৃত্তায়ন, খুন, হত্যা এগুলো প্রতিনিয়ত সব দেশে হচ্ছে। তার অর্থ এই না যে এটা সামগ্রিক চিত্র। আমি সামগ্রিক চিত্রের কথা বলছি।”

সরকারের মন্ত্রিসভার এই জ্যেষ্ঠ সদস্য বলেন, “অবশ্যই এটা দুঃখজনক এবং পুলিশকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে যে এ সমস্ত গ্যাং… এগুলোর তো একটা চক্র থাকে।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “মন্ত্রীর মোবাইল নিয়েছে বলেই… অবশ্যই প্রশ্ন জাগে যে মন্ত্রীরটা নিলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী? নিঃসন্দেহে এটা উদ্বেগের কথা, কিন্তু আমরা সকলের জন্য উৎকণ্ঠিত। রাস্তাঘাটে যে ছিনতাই একেইবারে হচ্ছে না, তা কিন্তু নয়। হচ্ছে এবং প্রতিকারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।”

দেশে অপরাধ হলেও কোনো অপরাধী ‘পার পাচ্ছে না’ মন্তব্য করে মোজাম্মেল হক বলেন, “দেখেন সব কিন্তু ধরা হচ্ছে।… দ্রুত সময়ের মধ্যে শনাক্ত করা হচ্ছে।”

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খবুই নগণ্য সংখ্যক, কয়েকজন হাতেগোনা, গোয়েন্দা সংস্থা চিহ্নিত করেছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, ভবিষ্যতেও কাউকে গ্রেফতার করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, প্রমাণ হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। কোনো ভুল মেসেজ যদি জাতির সামনে গিয়ে থাকে বোধ হয় আলেম-ওলামাদের গ্রেফতার হয়রানি করা হচ্ছে তা সঠিক নয়। কোনো অবস্থায় করা হবে না সে রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপরাধের বিচার হবে, অপরাধী হিসেবে। কোনো দলীয় বা সম্প্রদায়ের পরিচয়ে আইনের অপব্যবহার না হয় সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।