🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

tangail
❏ রবিবার, জুন ৬, ২০২১ ঢাকা

তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলের বাসাইলে গৃহবধূ কনা আক্তারের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে নিহতের স্বজনরা।

রবিবার (৬ জুন) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সদর উপজেলা ও বাসাইল উপজেলার জনসাধারণের আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করা হয়। এ সময় নিহতের আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

নিহত কনা আক্তার বাসাইল উপজেলার কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার দুবাই প্রবাসী কবির হোসেনের স্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন গ্রামের জয়নাল মিয়ার মেয়ে।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, প্রবাসী কবির হোসেন ও তার বড় দুই বোন অর্থলোভী সালমা ও তাসলিমার ষড়যন্ত্র ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে পরিকল্পিতভাবে কনা আক্তারকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধর্নার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালানো হয়। আমরা এলাকাবাসী এই নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের ফাঁসি চাই।

উল্লেখ্য, প্রায় পাঁচ বছর আগে জেলার বাসাইল উপজেলার কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে কবির মিয়ার সাথে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন গ্রামের জয়নাল মিয়ার মেয়ে কনা আক্তারের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবিতে তার শাশুরী ও দুই নুনাশের অত্যাচার শুরু হয়। এরপর তার শাশুরী কহিনূর বেগম ও স্বামী কবির মিয়া পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমান। ওই গৃহবধূ কনা আক্তার তার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শ্বশুরের সাথে বসবাস করেন। এরমধ্যে নুনাশ সালমা বেগমের স্বামী অন্যত্র বিবাহ করায় ও তাসলিমা বেগমের স্বামী প্রবাসে থাকায় তারা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতেই অবস্থান নেয়।

এমতাবস্থায় গৃহবধূ কনার প্রবাসী স্বামী কবির ও শাশুরী কহিনূরের টাকা আত্মসাতের পায়তারা করে তার দুই নুনাশ। বিভিন্ন সময় যৌতুক দাবিতে নুনাশ সালমা ও তাসলিমা বেগম গৃহবধূ কনাকে মারধর করে আসছিল। সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায়ও ওই গৃহবধূ কনাকে তার দুুই নুনাশ মিলে মারধর করে। পরে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে তার বসত ঘরের ধর্নার সাথে ঝুঁলন্ত অবস্থায় থাকা গৃহবধূ কনা আক্তারের লাশ পাওয়া যায়।