🕓 সংবাদ শিরোনাম

নোয়াখালীতে ২৪ ঘন্টায় ১১৫ জনের দেহে করোনা, শনাক্তের হার ২৮.৬ শতাংশসৌদিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করলে ১৫ বছরের জেল ও জরিমানার ঘোষণামাদারীপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত শ্রমিকলীগ সভাপতির মৃত্যুভয়ংকর হচ্ছে খুলনা বিভাগ, একদিনেই রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যুটাঙ্গাইলে নতুন করে ১৪৯ জন করোনায় আক্রান্ত, ৩ জনের মৃত্যুইভ্যালিসহ ১০ ই-কমার্সে কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা দিলো ব্র্যাক ব্যাংকনওমুসলিম ওমর ফারুক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন-সংবাদ সম্মেলন, ৬ দফা দাবিআ.লীগ অতীতে জনগণের সঙ্গে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : কাদের২৪ ঘন্টায় রাজশাহী মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে ১৬ জনের মৃত্যুইভ্যালির সম্পদ ৬৫ কোটি, দেনার পরিমাণ ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা

  • আজ বুধবার, ৯ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৩ জুন, ২০২১ ৷

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির ডিপো: হারুন

harun
❏ সোমবার, জুন ৭, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- দেশের মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতির ডিপো আখ্যা দিয়ে সংস্কারের জন্য কমিটি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুনুর রশীদ। সোমবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ছাঁটাই প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, কেনাকাটায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির ডিপো। কীভাবে এই মন্ত্রণালয়ের সংস্কার করবেন, তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সুস্পষ্টভাবে জানাতে হবে। স্বাস্থ্য খাত নিয়ে কথা বলতে বলতে তিনি বেহাল হয়ে গেছেন। স্বাস্থ্য বিভাগকে সংস্কারের আওতায় আনতে হবে। বেহাল দশা থেকে রক্ষা করতে কমিটি গঠন করতে হবে।

তিনি বলেন, ঢাকায় এক পদে ৫০ জন চিকিৎসক, আর জেলা-উপজেলায় চিকিৎসক নেই। লাখ লাখ মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছে। লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজাতে পারলে এটা রোধ করা যাবে।

টিকা প্রসঙ্গে হারুনুর রশীদ বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানাবেন আমরা কবে থেকে টিকার কার্যক্রম চালাবো। পাশাপাশি সরকারের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। মানসম্মতভাবে যদি এ টিকাকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে আমরা আগামী এক বছরের মধ্যে ৮০ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে পারব। এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যবস্থাকেও উন্মুক্ত করতে হবে। এখানে দুর্নীতি থাকা চলবে না।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে টিকার জন্য চুক্তি করেছিলেন। কেন আজকে ভারত চুক্তি বাতিল করল? কী কারণে স্বাস্থ্যমন্ত্রী টাকা চাচ্ছেন এবং কী কারণে টাকা ব্যয় করতে পারলেন না এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। হাসপাতালে সরঞ্জাম দেবেন, ডাক্তার নেই, টেকনোলজিস্ট নেই। এইগুলো বেকার নষ্ট হবে। আজকে আমি বললাম একটা আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স দেন। আপনি অ্যাম্বুলেন্স দিলেন, ড্রাইভার নেই। ওটা তো গ্যারেজে পড়ে থেকে পরের বছরই নষ্ট হয়ে যাবে। এই অবস্থা হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের। আজকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার সরঞ্জাম নিয়ে আসছেন, জিনিসপত্র নিয়ে আসছেন। সেখানে জনবল নেই, কিছু নেই। পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

হারুনুর রশীদ বলেন, আমি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে বলছি, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার সুচিকিৎসার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, তাকে যেন বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা করানোর সুযোগটা দেওয়া হয়।