🕓 সংবাদ শিরোনাম

যেকোনো সময় সারা দেশে ‘শাটডাউন’ ঘোষণা : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীসারা দেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনের’ সুপারিশশাহজাদপুরে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে আদিবাসী নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগব্র্যাক-এশিয়ার পর ঢাকা ব্যাংক থেকেও নিষিদ্ধ ইভ্যালি!বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা একদিনে সব রেকর্ড ভেঙেছেসন্ধ্যা হলেই সৌর বিদ্যুতে আলোকিত হবে মির্জাপুর পৌরসভা২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ছাড়াল ৬ হাজার, মৃত্যু ৮১ জনেরচুয়াডাঙ্গায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কাদেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রীসিনহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আত্মসমর্পন

  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন বিধবা লাজিনা বেওয়া


❏ সোমবার, জুন ৭, ২০২১ সুখবর প্রতিদিন

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:ঘটনাটি পুরোপুরি জানলে হয়তো অনেকে অবাক হবেন। সংসারে সচ্ছলতা ফেরায় নিজের বিধবা ভাতার কার্ডটি সমাজসেবা অফিসে ফেরত দিয়েছেন বগুড়ার লাজিনা বেওয়া নামের এক নারী।

গতকাল সোমবার দুপুরে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে তার কার্ডটি ফেরত দেন। লাজিনা বেওয়া উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ধুলাতইর গ্রামের মৃত হাদিস আলীর স্ত্রী।

আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, সবাই যখন পেতে ব্যস্ত, তখন তিনি (লাজিনা) ফেরত দিতে চান। এটা সত্যই আশ্চর্যজনক ঘটনা। তার ইউনিয়নে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শরিফ উদ্দীন জানান, দেশে এমন মানুষ বিরল। এ উপজেলায় এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। বিধবা ওই নারীর এমন সীদ্ধান্ত খুব ভালো লেগেছে। তার হিসাব বন্ধের জন্য ছেলে মামানুর রশিদ মামুন লিখিত আবেদনসহ কার্ডটি ফেরত দিয়েছেন। তার আবেদনের ভিত্তিতে ওই হিসাব বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে ওই নারীকে দেখে সকলের শিক্ষা নেওয়া উচিত- ‘প্রয়োজন ছাড়া কোনো কিছু নেওয়া ঠিক নয়।’

লাজিনা বেওয়া জানান, ১৯৮২ সালে মাত্র ১০ শতাংশ সম্পত্তি রেখে স্বামী হাদিস আলী মারা যান। মাত্র ২২ বছর বয়সে বিধবা হন তিনি। ছোট দুটি মেয়ে ও ছয় মাস বয়সী ছেলে মামুনুর রশিদ মামুনকে ঘিরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ছলে-মেয়েকে মানুষ করে গড়ে তুলতে ১৯৯৮ সালে বিধবাভাতার তালিকাভুক্ত হন। অনেক কষ্টের মাঝেই মেয়ে দুটিকে বিয়ে দেন।

এদিকে ছেলে মামুন পড়াশোনা শেষ করে সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে ২০১৪ সালে সরকারিভাবে (জিটুজি পদ্ধতিতে) মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। দুই বছর পর দেশে ফিরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পান। এতে তার পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে। এর পর সীদ্ধান্ত নেন তিনি কার্ডটি ফেরত দেবেন। এতে প্রকৃতপক্ষে যাদের কার্ডটি প্রয়োজন তাদের কেউ পেলে উপকৃত হবেন।