মা-বাবা ও ছোট বোনকে হত্যার পর ৯৯৯- এ ফোন করে হুমকি দেয় মেহজাবিন

atok
❏ শনিবার, জুন ১৯, ২০২১ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর হাজী লাল মিয়া সরকার রোড এলাকা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও মেয়ের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন ৫০ বছর বয়সী মাসুদ রানা। এই সৌদি প্রবাসী ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। অপর দুজন মাসুদের স্ত্রী জোসনা আরা এবং তাদের ছোট মেয়ে ১৪ বছর বয়সী মহিনী।

হত্যায় জড়িত মাসুদ রানার বড় মেয়ে মেহেজাবিন মুনকে আটক করেছে পুলিশ।

ওয়ারী জোনের ডিসি ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, মেহজাবিন হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে ফোন দেয়। পুলিশ দ্রুত না গেলে তার স্বামী ও সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় সে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে।

ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে না গেলে দ্বিতীয় স্বামী শফিকুল ইসলাম ও আগের ঘরের মেয়ে শিশু তৃপ্তিয়াকে হয় তো মেরে ফেলতেন তিন খুনে অভিযুক্ত মেহজাবিন।

পুলিশ জানিয়েছে, রাতে বাবা-মা ও বোনকে হত্যা করেন মেহজাবিন। এরপর সকাল ৮টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করেন তিনি। এ সময় তিনি জানান, পুলিশ দ্রুত না আসলে স্বামী ও সন্তানকে তিনি মেরে ফেলবেন।

এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। আর আহত অবস্থায় তার স্বামী ও মেয়েকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশ জানায়, রাতে পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান মেহজাবিন। সবাই অচেতন হয়ে পড়লে মা-বাবা ও বোনকে রশি দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। স্বামী ও শিশু সন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। তবে তারা অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।

কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মরদেহগুলো হাত পা বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। গতকালকে রাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে তাদেরই আরেক মেয়ে। সেই মেয়েকে আটক করা হয়েছে।’

এদিকে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কেরানিগঞ্জে মেহজাবিনের প্রথম বিয়ে হয়েছিল। সেই স্বামীকে খুনে দায়ে তার জেল হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি তারা।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন